বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা আ.লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই: জামায়াত আমির শ্যালিকাকে বিয়ে, মুখে চুনকালি মাখিয়ে যুবক ও তার দুই স্ত্রীকে এলাকাছাড়া করল গ্রামবাসী মোবাইলে যেভাবে দেখবেন এইচএসসির ফলাফল ইমরান খানের ‘ভারত ছাড়ার নির্দেশ’ স্থগিত করলেন আদালত চলে গেলেন ‘সিআইডি’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা বিপি সিং চাকরির প্রলোভনে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিককে রুশ বাহিনীতে নিয়োগ ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাউজানে অস্ত্রের মুখে নারীর ২৫ লাখ টাকা ছিনতাই! যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক নিহত

২২ বছর পর শচীনের এলবিডব্লিউর সিদ্ধান্ত বদলালেন আম্পায়ার

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩১ টাইম ভিউ
২২ বছর পর শচীনের এলবিডব্লিউর সিদ্ধান্ত বদলালেন আম্পায়ার

২২ বছর পর নীরবতা ভাঙলেন স্টিভ বাকনার। ভারতের কিংবদন্তি ব্যাটার শচীন টেন্ডুলকারকে দেওয়া বহুল আলোচিত এলবিডব্লিউর সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল, সেটি সরাসরি স্বীকার করেছেন তিনি।

ঘটনাটি ২০০৩-০৪ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া সফরে। ব্রিসবেন টেস্টে মাত্র ৩ রানে ব্যাট করছিলেন শচীন। অস্ট্রেলিয়ার পেসার জেসন গিলেসপির একটি ডেলিভারি ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন তিনি। বলটি প্যাডে আঘাত করলে জোরালো আবেদন করে অস্ট্রেলিয়া। ক্যারিবীয় আম্পায়ার বাকনার সঙ্গে সঙ্গে আঙুল তুলেছিলেন। সিদ্ধান্তে বিস্মিত হয়ে যান শচীন, হতভম্ব হয়ে পড়েন টেলিভিশনের সামনে থাকা কোটি দর্শকও।

দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কিত সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে সম্প্রতি মুখ খুলেছেন ৭৯ বছর বয়সী বাকনার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট আম্পায়ার্স অ্যাসোসিয়েশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘শচীন টেন্ডুলকারকে লেগ বিফোর দেওয়া—এটা যে ভুল ছিল, তা আমি জানতাম। আজও মানুষ প্রতিদিন এই ঘটনা নিয়ে কথা বলে।’

বাকনারের মতে, মানুষের ভুল হয়, সেই সিদ্ধান্ত ছিল সেরকমই কিছু। বললেন, ‘কেন আমি আউট দিলাম? সে কি সত্যিই আউট ছিল? এমন প্রশ্ন এখনো আসে। কিন্তু জীবনে ভুল হয়। আমি মেনে নিয়েছি, এটা আমার ভুল ছিল। জীবন এগিয়ে যায়।’

পুনরায় সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, বলটি স্টাম্প মিস করছিল। প্রযুক্তি-সহায়তা থাকলে হয়তো সিদ্ধান্ত ভিন্ন হতে পারত। কিন্তু তখন সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার আধুনিক পদ্ধতি চালু ছিল না। ফলে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই ছিল চূড়ান্ত।

ঘটনাটির সময় ধারাভাষ্যে ছিলেন কিংবদন্তি কণ্ঠ টনি গ্রেগ। তিনি সরাসরি বলেছিলেন, ‘এটি ভয়াবহ একটি সিদ্ধান্ত। বলের বাউন্স আর মুভমেন্ট দেখুন।’

বছর কয়েক আগে শচীনকেও এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। রসিকতা করে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি যখন ব্যাট করব, তখন তাকে বক্সিং গ্লাভস পরিয়ে দিন যাতে আঙুল তুলতে না পারেন।’

ক্রিকেট ইতিহাসে বিতর্কিত সিদ্ধান্তের তালিকায় এই ঘটনাটি এখনো অন্যতম আলোচিত। তবে দুই দশকের বেশি সময় পর আম্পায়ারের স্বীকারোক্তি যেন সেই পুরোনো ক্ষতকে নতুন করে মনে করিয়ে দিল, আবার একই সঙ্গে দীর্ঘ বিতর্কেরও অবসান ঘটাল।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর