রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জামালপুরে অনুষ্ঠিত ১৭৫ বছরের সাহিত্য-সাময়িকী আলোচনা রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অপতথ্য ঠেকাতে সাংবাদিকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর জাকির নায়েকের প্রত্যর্পণ নিয়ে মোদি-ইব্রাহিমের আলোচনা পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নতুন বাড়ি দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী’, গুমের নির্দেশদাতা ছিলেন: স্পিকার বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচের কথা বলে ডেকে নিয়ে দুই নৃত্যশিল্পীকে নৌকায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের কোনো অস্তিত্ব রাখা হবে না: ডিএমপি কমিশনার রাজধানীতে পৃথক স্থান থেকে ৪ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্রিকস সদস্যদের সঙ্গে কাজ করবে চীন: শি জিনপিং

অস্ত্র প্রতিযোগিতার অর্থ বিশ্বের শিশুদের উন্নয়নে ব্যয় করা হোক : প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১৩৫ টাইম ভিউ

অনলাইন ডেক্স : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা যুদ্ধ চাই না। যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। বরং অস্ত্র বানানো এবং অস্ত্র প্রতিযোগিতায় যে অর্থ ব্যয় হয়, সেই অর্থ সারা বিশ্বের শিশুদের খাদ্য, স্বাস্থ্য ও তাদের উন্নয়নের জন্য ব্যয় করা হোক, এটাই আমাদের দাবি। আমরা সেটাই চাই। আমরা শান্তি চাই। শান্তি উন্নতি দেয়, ধ্বংস চাই না, উন্নতি চাই। আমরা শান্তির পক্ষে সবসময় কাজ করি।

আজ বুধবার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘শেখ রাসেল দিবস-২০২৩’র উদ্বোধনী ও পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘যুদ্ধের সময় কী অবস্থা হতে পারে, সেটা আমাদের নিজেদের জীবন দিয়ে দেখেছি। আমার চোখে দেখেছি- লাশ পড়ে আছে ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায়। আজকে সারা পৃথিবীতে যে যুদ্ধ চলছে, কিছুদিন আগে দেখলাম ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ, এখন আবার ফিলিস্তিন-ইসরায়েলের, ইসরায়েলেও শিশু মারা যাচ্ছে, ফিলিস্তিনেও মানুষ মারা যাচ্ছে। গতকাল দেখলাম হাসপাতালে বোম মেরে মানুষ মারছে। রক্তাক্ত সেই শিশুদের চেহারা। আমি বিশ্ব নেতাদেরকে বলব, যুদ্ধ বন্ধ করেন। অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করুন। যুদ্ধ-অস্ত্র মানুষের মঙ্গল আনে না। সবচেয়ে কষ্টে আছি আমরা নারীরা, আর যুবকেরা দেয় জীবন। সন্তানরা পিতা-মাতা হারা হচ্ছে। তাদের কী যে বেদনা সেটা আমরা জানি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালে আমার পরিবারের সবাইকে হত্যার পর রিফিউজি হিসেবে আমি ও আমার বোনকে বিদেশে থাকতে হয়েছে। রিফিউজি হিসেবে থাকার কষ্ট আমরা বুঝি। নিজের নাম-পরিচয় দিতে পারব না, অন্যের দেশ, ভাষা আলাদা, সেখানে থাকতে হবে, নিজের দেশে কবে যাব সে নিশ্চয়তা নেই। সেভাবেই ছয়টি বছর কাটিয়ে এসেছি।’

এর আগে শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাস্তবায়নাধীন ১০টি প্রকল্প উদ্বোধন এবং সাতটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। কিশোর-কিশোরীদের সাইবার অপরাধ রোধে ১৩২১৯ নম্বরের হেল্পলাইন সেবা, স্মার্ট ৩৩৩, স্মার্ট প্রেগনেন্সি মনিটরিং সিস্টেম এবং সমন্বিত ই-টোল কালেকশন সেবাসহ আরও মোট ১০টি ই-সেবা প্রকল্পের উদ্বোধন করেন সরকারপ্রধান।

১৯৬৪ সালের আজকের এই দিনে (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর ধানমন্ডির ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবনে জন্মগ্রহণ করেন শেখ রাসেল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকদের নির্মম বুলেট থেকে রক্ষা পাননি শিশু শেখ রাসেল। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে নরপিশাচরা নির্মমভাবে হত্যা করেছিল তাকেও। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২১ সাল থেকে শেখ রাসেলের জন্মদিন ‘শেখ রাসেল দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে তৃতীয়বারের মতো আজ ‘শেখ রাসেল দিবস’ পালনের প্রতিপাদ্য ‘শেখ রাসেল দীপ্তিময়, নির্ভীক নির্মল দুর্জয়।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর