বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামে হামলায় জড়িত ছাত্রদল নেতাদের বিচার চায় শিবির চট্টগ্রামের ঘটনায় বিক্ষোভের ডাক ছাত্রদলের হাত ট্রিগারেই আছে, প্রতিরক্ষা বাহিনীও সম্পূর্ণ প্রস্তুত: ইরান সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুমের বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর চলতি বছর মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ : আইএমএফ বিএনপি সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: প্রধানমন্ত্রী চুক্তি না হলে হামলার জন্য পুরোদমে প্রস্তুত মার্কিন বাহিনী: ট্রাম্প জামিন পেলেন দেড় মাসের সন্তানসহ কারাগারে যাওয়া সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী গ্রাফিতিতে ‘গুপ্ত’ লেখা নিয়ে চট্টগ্রামে সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ সরকারি সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত পুরোনো ভাড়াই বহাল

অস্ত্র প্রতিযোগিতার অর্থ বিশ্বের শিশুদের উন্নয়নে ব্যয় করা হোক : প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১০৫ টাইম ভিউ

অনলাইন ডেক্স : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা যুদ্ধ চাই না। যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। বরং অস্ত্র বানানো এবং অস্ত্র প্রতিযোগিতায় যে অর্থ ব্যয় হয়, সেই অর্থ সারা বিশ্বের শিশুদের খাদ্য, স্বাস্থ্য ও তাদের উন্নয়নের জন্য ব্যয় করা হোক, এটাই আমাদের দাবি। আমরা সেটাই চাই। আমরা শান্তি চাই। শান্তি উন্নতি দেয়, ধ্বংস চাই না, উন্নতি চাই। আমরা শান্তির পক্ষে সবসময় কাজ করি।

আজ বুধবার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘শেখ রাসেল দিবস-২০২৩’র উদ্বোধনী ও পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘যুদ্ধের সময় কী অবস্থা হতে পারে, সেটা আমাদের নিজেদের জীবন দিয়ে দেখেছি। আমার চোখে দেখেছি- লাশ পড়ে আছে ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায়। আজকে সারা পৃথিবীতে যে যুদ্ধ চলছে, কিছুদিন আগে দেখলাম ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ, এখন আবার ফিলিস্তিন-ইসরায়েলের, ইসরায়েলেও শিশু মারা যাচ্ছে, ফিলিস্তিনেও মানুষ মারা যাচ্ছে। গতকাল দেখলাম হাসপাতালে বোম মেরে মানুষ মারছে। রক্তাক্ত সেই শিশুদের চেহারা। আমি বিশ্ব নেতাদেরকে বলব, যুদ্ধ বন্ধ করেন। অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করুন। যুদ্ধ-অস্ত্র মানুষের মঙ্গল আনে না। সবচেয়ে কষ্টে আছি আমরা নারীরা, আর যুবকেরা দেয় জীবন। সন্তানরা পিতা-মাতা হারা হচ্ছে। তাদের কী যে বেদনা সেটা আমরা জানি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালে আমার পরিবারের সবাইকে হত্যার পর রিফিউজি হিসেবে আমি ও আমার বোনকে বিদেশে থাকতে হয়েছে। রিফিউজি হিসেবে থাকার কষ্ট আমরা বুঝি। নিজের নাম-পরিচয় দিতে পারব না, অন্যের দেশ, ভাষা আলাদা, সেখানে থাকতে হবে, নিজের দেশে কবে যাব সে নিশ্চয়তা নেই। সেভাবেই ছয়টি বছর কাটিয়ে এসেছি।’

এর আগে শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাস্তবায়নাধীন ১০টি প্রকল্প উদ্বোধন এবং সাতটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। কিশোর-কিশোরীদের সাইবার অপরাধ রোধে ১৩২১৯ নম্বরের হেল্পলাইন সেবা, স্মার্ট ৩৩৩, স্মার্ট প্রেগনেন্সি মনিটরিং সিস্টেম এবং সমন্বিত ই-টোল কালেকশন সেবাসহ আরও মোট ১০টি ই-সেবা প্রকল্পের উদ্বোধন করেন সরকারপ্রধান।

১৯৬৪ সালের আজকের এই দিনে (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর ধানমন্ডির ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবনে জন্মগ্রহণ করেন শেখ রাসেল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকদের নির্মম বুলেট থেকে রক্ষা পাননি শিশু শেখ রাসেল। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে নরপিশাচরা নির্মমভাবে হত্যা করেছিল তাকেও। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২১ সাল থেকে শেখ রাসেলের জন্মদিন ‘শেখ রাসেল দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে তৃতীয়বারের মতো আজ ‘শেখ রাসেল দিবস’ পালনের প্রতিপাদ্য ‘শেখ রাসেল দীপ্তিময়, নির্ভীক নির্মল দুর্জয়।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর