মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের কাকিনায় র‌্যাব-১৩ এর অভিযানে ১১কেজি গাঁজা সহ,গ্রেফতার ৪ নারী ‘আমাদের মূল লক্ষ্য ফাইনাল খেলা’ কুমিল্লায় বুড়িচং প্রেস ক্লাব’র নির্বাচন অনুষ্ঠিত; সভাপতি খোরশেদ, সম্পাদক বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির ওয়েব ফিল্মে নতুন রূপে মৌ খান, ‘শিকারি’তে রহস্যময় চরিত্রে ৬১-এ আমির, পর্দায় ২৫ বছরের তরুণ! ‘ললকারা’র জন্য শুরু শরীর বদলের প্রস্তুতি স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান কত হওয়া উচিত? কী বলছে গবেষণা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ক্লাবে পরিণত করেছে বিএনপি: নাহিদ ইসলাম দলীয় প্রতীক থাকবে না, স্থানীয় নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীকে সমর্থন দেবেন: রিজভী ইউটিউবকে চ্যালেঞ্জ জানাতে বিশ্ববাজারে আসছে বিলিবিলি আলোচিত নুসরাত হত্যা: ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল

কোন আইনে আছে আমি কথা বলতে পারব না, দাঁড়াতে পারব না :প্রিজন ভ্যানে পুলিশকে ইনু

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৭২ টাইম ভিউ

প্রিজন ভ্যানে দাঁড়িয়ে থাকা নিয়ে পুলিশ সদস্যের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়েছেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু। সোমবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের সামনের রাস্তায় প্রিজন ভ্যানে এ ঘটনা ঘটে।দুপুর ১২টার দিকে কারাগারের উদ্দেশ্য নেওয়ার জন্য হাজত খানা থেকে হাসানুল হক ইনুকে বের করা হয়। এ সময় পুলিশ তাকে তাড়াহুড়ো করে বের করতে চায়। তখন তিনি দাঁড়িয়ে যান। পুলিশকে বলেন, ‘ধাক্কান কেন?’ তখন পুলিশ সদস্য বলেন, ‘ধাক্কাচ্ছি না।’ পরে তাকে আস্তে আস্তে প্রিজন ভ্যানের দিকে নেওয়া হয়। এ সময় তার দুহাত পিছমোড়া বাঁধা ছিল।

পরে প্রিজন ভ্যানের সামনের অংশে পৌঁছে দাড়িয়ে থাকেন। এ সময় ইনু প্রিজন ভ্যানের ভেতরে রাখা লোহার বেঞ্চের ওপর দাঁড়ান। প্রিজন ভ্যানের লোহার ফাঁক দিয়ে তিনি তার আত্মীয়স্বজন ও নেতা–কর্মীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। এ সময় প্রিজন ভ্যানের ভেতরে দাঁড়িয়ে থাকা দুজন পুলিশ সদস্য হাসানুল হক ইনুকে দাঁড়িয়ে না থেকে বেঞ্চে বসার অনুরোধ করেন। ইনুর উদ্দেশে এক পুলিশ সদস্য বলেন, স্যার, আপনি দাঁড়িয়ে থেকে কথা বলতে পারবেন না।

পুলিশ সদস্যের এ কথা শুনে ইনু বলতে থাকেন, আমি দাঁড়িয়ে থাকব। আমি দাঁড়িয়ে থাকতে পারব না, কথা বলতে পারব না—এটা আইনে নেই। আপনারা আপনাদের কাজ করেন। তখন ওই পুলিশ সদস্য ইনুর উদ্দেশে বলেন, স্যার, আপনার নিরাপত্তার জন্য বলছি, আপনি দাঁড়িয়ে থাকবেন না।

এ সময় হাসানুল হক ইনু বলেন, আমি আমার আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে কথা বলতে পারব না? আমি সারা রাস্তা দাঁড়িয়ে থাকব। আপনি বলেন, কোন আইনে আছে, আমি কথা বলতে পারব না, দাঁড়াতে পারব না? আমাকে আইন দেখান। দাঁড়ানো কি নিষেধ?

ইনুর মুখ থেকে এ কথা শোনার পর ওই পুলিশ সদস্য বলতে থাকেন, অথরিটির (কর্তৃপক্ষের) নিষেধ আছে। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ইনু তখন বলেন, আমি দাঁড়িয়ে থাকব, আমাকে মারবেন? আমি দাঁড়িয়ে থাকব। সবকিছুর একটা লিমিট (সীমা) আছে। আমি দাঁড়িয়ে থাকব।

এরপর আবার ওই পুলিশ সদস্য ইনুকে প্রিজন ভ্যানের ভেতরের বেঞ্চে বসে থাকার অনুরোধ করেন। তখন ইনু তার উদ্দেশে বলেন, আর কথা বাড়াবেন না, আইন দেখান, আমি বসব। আমি দাঁড়ায় থাকব, গাড়ির ভেতরে দাঁড়ানো কি নিষেধ? হাত দেখানো কি নিষেধ? কথা বলা কি নিষেধ? আমাকে আইন দেখাচ্ছেন! কী করবেন আপনারা? কপালে খারাপ আছে সবার। কর্তৃপক্ষ কি বলেছে, দাঁড়াতে পারব না? অর্ডার নিয়ে আসেন, বসব।

ইনু ওই পুলিশ সদস্যকে আরও বলেন, আপনি অর্ডার দেখান, খামোখা সিনক্রিয়েট করছেন কেন? আপনার ওসি সাহেবকে নিয়ে আসেন। অর্ডার দেখান। আমি বসব। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের সামনের জনসন রোডে তখন প্রচণ্ড যানজট। প্রায় ১৩ মিনিট পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে ইনুর এই কথোপকথন চলে। প্রিজন ভ্যানটি রায়সাহেব বাজার মোড়ে পৌঁছালে ইনু প্রিজন ভ্যানের ভেতরে বসে পড়েন। প্রিজন ভ্যানটি কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের উদ্দেশে রওনা হয়।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর