চাইনিজ তাইপের সঙ্গে নিজেদের ব্যবধান বুঝল বাংলাদেশ। র্যাংকিংয়ে ১০০ ধাপ এগিয়ে থাকা দলটির কাছে আজ বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় ৪-০ গোলে হেরেছেন সাবিনা খাতুনরা। ম্যাচের ২৬ মিনিটেই ৩-০ পিছিয়ে পড়েছিল পিটার বাটলারের দল।
নতুন কোচ বাটলার এদিন ৩-৫-২ ফরম্যাশনে আক্রমনাত্মক আক্রমনাত্মক ধরণে খেলিয়েছিলেন বাংলাদেশকে।
কিন্তু শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এই সাহসিকতার মূল্য দিতে হয়। ১১ মিনিটেই বাঁ দিক থেকে প্রতিপক্ষের একটা পাস আফিদা ক্লিয়ার করতে না পারলে বল পেয়ে যান ইউ সুয়ান সু। অনেকটা বাধাহীনভাবেই বল জালে জড়িয়েছেন তিনি।
বাটলার শিষ্যদের মনোবলে সেখানেই প্রথম ধাক্কা লাগে।
১৯ মিনিটে কর্নার থেকে হেডে সিন ওয়ান সু ২-০ করে ফেললে আত্মবিশ্বাসের জায়গায় জড়তাও পেয়ে বসে তাদের। তারই ফল ২৬ মিনিটের তৃতীয় গোল। বাঁ দিক থেকে উই ইয়ান সুর ফ্রিকিক ছিল, বক্সের ভেতর বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা যেন বলটাকে অনুসরণই করতে পারলেন না, ইউ সুয়ান সু-ই সবার আগে বাড়ালেন। বল অবশ্য তাঁর পা না ছুঁইয়েই জালে।
তিন ব্যাকলাইনে বলতে কখনোই খেলেনি বাংলাদেশের মেয়েরা। তবে নতুন কোচ বাটলার এসেই বলেছিলেন তিনি আক্রমণাত্মক ধাঁচে বিশ্বাসই। সাবিনা খাতুনও বলেছিলেন তিনি ডিফেন্স লাইন ওপরে উঠিয়ে খেলাতে পছন্দ করেন। অনুশীলনে ফুটবলাররা যেমনই করে থাকুক, শক্তিশালী দলের বিপক্ষে সেই ধরণে মানিয়ে নেওয়াটা বেশ কঠিনই হচ্ছিল সাবিনা-আফিদাদের জন্য। প্রথমার্ধে প্রতিপক্ষ সীমানায় হানা দিলেও পাল্টা গোল ফিরিয়ে দেওয়ার মত কোন পরিস্থিতি তৈরী করতে পারেননি তারা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবার ব্যবধান বাড়িয়ে নেয় তাইপে।
৫৬ মিনিটে ইয়ে ওয়েন লির শট আফিদার পায়ে লেগে বক্সের ভেতর ইউ সুয়ান সুর কাছে চলে গেলে নিজের দ্বিতীয় গোলের সুযোগটা হাতছাড়া করেননি এই ফরোয়ার্ড। ৪-০ তে এগিয়ে ম্যাচের বাকি সময়টা চাইনিজ তাইপে কিছুটা নিচে নেমে কেবল বাংলাদেশকে সামলে গেছে। এই অর্ধে মনিকার একটি ক্রস ক্রসবারে লাগে। তাছাড়া সেই অর্থে প্রতিপক্ষের ডিফেন্সে চির ধরাতে পারেননি বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা।