ম্যাচ শেষ হতেই মাঝ উইকেটে নেট নিয়ে হাজির মাঠকর্মীরা। নেট সাজিয়ে তখন তাদের সাকিব আল হাসানের জন্য অপেক্ষা। কিছুক্ষণ পর ড্রেসিংরুম থেকে ব্যাট-প্যাড নিয়ে নেট ব্যাটিংয়ের জন্য বেরিয়ে এলেন সাকিব। ব্যাটিংয়ের প্রস্তুতি নিয়েই মাঠে ঢুকে হেলমেট ও ব্যাট রেখে প্রেজেন্টেশনের জন্য দলের সঙ্গে যোগ দেন তিনি।
এরপর শুরু হয় নেট অনুশীলন। ব্যাটিং কোচ ডেভিড হেম্প ও বিসিবির এক টিমবয়কে সঙ্গে নিয়ে দুই দফায় তিনি প্রায় ঘণ্টাখানেক করলেন অনুশীলন। যেখানে প্রথমে ৪০ মিনিট এরপর ২০ মিনিটের বিরতি দিয়ে আবার ২০ মিনিট বিভিন্ন স্টান্স ও হেড পজিশনে ঝালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেন নিজের ব্যাটিং। সেখানে শুরুতে অস্বস্তি ভুগলেও শেষ দিকে বেশ সাবলীল মনে হলো তাকে।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বোলিংয়ে বরাবরের মতোই সপ্রতিভ সাকিব। দুই ম্যাচ মিলিয়ে শিকার ৫ উইকেট। কিন্তু ব্যাটিংয়ে নেই আগের নির্ভরতা। দুই ম্যাচেই অস্বস্তিতে ভুগে শেষ পর্যন্ত থামেন অল্পেই।
আজ ভালো শুরু পেলেও পায়ের ওপরের ডেলিভারি ফ্লিক করার চেষ্টায় ব্যাটের সামনের কানায় লেগে ক্যাচ আউট হন তিনি।
দুটি ম্যাচেই সাকিবের ব্যাটিং স্টান্স ও হেড পজিশন ছিল নড়বড়ে। তা ঠিক করার জন্যেই হয়তো সিরিজ শেষে পুরস্কার বিতরণের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হতেই ব্যাটিং অনুশীলনে নেমে যান সাকিব। বাঁহাতি ব্যাটারের অনুশীলন শেষে একই নেটে অনুশীলনে নামেন সম্প্রতি অফ ফর্মে ভোগা লিটন দাস।