পটুয়াখালী–কুয়াকাটা মহাসড়কের ঘটখালী বিএম অটো গ্যাস পাম্পের পাশে মঞ্জু গাজীর মেশিনারি দোকানে ডাকাতি শেষে পালানোর সময় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে ডাকাতদল লোকালয়ে প্রবেশ করে। এ সময় ডাকাতদলের সদস্য আমিরুল ইসলাম (৪০) কে হাজারটাকার বাঁধ এলাকার স্থানীয় জনতা আটক করে গণধোলাই দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ডাকাত দলের আরেক সদস্যকে মহিপুর থানা পুলিশ আটক করেছে।সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে আমতলী উপজেলার হাজারটাকার বাঁধ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার গভীর রাতে ৭–৮ জনের একটি ডাকাতদল পিকআপযোগে এসে ঘটখালী বিএম অটো গ্যাস পাম্পের পাশে মঞ্জু গাজীর মেশিনারি দোকানে ডাকাতি করে। খবর পেয়ে আমতলী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে ডাকাতরা পালিয়ে মহিপুরের দিকে যায়। সেখানে পুলিশ একজনকে আটক করে। পরে ডাকাতদল আবার আমতলীর দিকে ফিরে আসলে পুলিশ পুনরায় তাদের ধাওয়া করে।ধাওয়া খেয়ে ডাকাতদল কুকুয়া ইউনিয়নের হাজারটাকার বাঁধ এলাকায় গাড়ি রেখে পালানোর চেষ্টা করে। ওই সময় স্থানীয় জনতা আমিরুল ইসলামকে ধরে ফেলে এবং গণধোলাই দেয়। পরে পুলিশ এসে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। আটক আমিরুলের বাড়ি পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার রাধানগর এলাকায়। তার বাবা ফোরকান শেখ। ডাকাতদের ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যানটিও পুলিশ জব্দ করেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, পুলিশের ধাওয়া খেয়ে ডাকাতরা গাড়ি রেখে পালাচ্ছিল। স্থানীয়রা ধাওয়া করে আমিরুল ইসলামকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। আমতলী থানার ওসি দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, আমতলী ও মহিপুর থানা এলাকা থেকে দুইজন ডাকাতকে আটক করা হয়েছে। পলাতক অন্যদের ধরতে পুলিশ কাজ করছে। ঘটখালী এলাকায় একটি দোকানে ডাকাতির সময় খবর পেয়ে পুলিশ ধাওয়া দিলে তারা মহিপুরে পালিয়ে যায় এবং পরে আবার আমতলীর দিকে আসে। ধাওয়া খেয়ে তারা লোকালয়ে প্রবেশ করে।