বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামে হামলায় জড়িত ছাত্রদল নেতাদের বিচার চায় শিবির চট্টগ্রামের ঘটনায় বিক্ষোভের ডাক ছাত্রদলের হাত ট্রিগারেই আছে, প্রতিরক্ষা বাহিনীও সম্পূর্ণ প্রস্তুত: ইরান সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুমের বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর চলতি বছর মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ : আইএমএফ বিএনপি সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: প্রধানমন্ত্রী চুক্তি না হলে হামলার জন্য পুরোদমে প্রস্তুত মার্কিন বাহিনী: ট্রাম্প জামিন পেলেন দেড় মাসের সন্তানসহ কারাগারে যাওয়া সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী গ্রাফিতিতে ‘গুপ্ত’ লেখা নিয়ে চট্টগ্রামে সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ সরকারি সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত পুরোনো ভাড়াই বহাল

পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে শাহবাগ অবরোধ বিডিআর সদস্যদের, যান চলাচল বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৯৩ টাইম ভিউ

পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান নিয়েছেন বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় চাকরিচ্যুত সদস্য ও ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনেরা। বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে মিছিল নিয়ে এসে পুলিশের বাঁধার মুখে পড়েন তারা। পরে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন । এতে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

এর আগে সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সংবাদ সম্মেলনে চাকরিচ্যুত বিডিআরের সদস্যরা বলেন, পিলখানা হত্যা মামলার বিচার ব্যবস্থা নিয়ে প্রহসন চলছে। সব মিথ্যা মামলা বাতিল ও কারাবন্দী সদস্যদের মুক্তির দাবি জানান তারা। কেরানীগঞ্জে আদালত বসার কথা থাকলেও, তা না হওয়ায় একে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন তারা।

তাদের দাবি, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের জেলবন্দিদের মুক্তি, মিথ্যা মামলা বাতিল, চাকরিচ্যুতদের চাকুরিতে পুনঃবহাল করতে হবে। বিগত সরকারের ‘নীল নকশায়’ পরিকল্পিতভাবে বিডিআর সদস্যদের ফাঁসানো হয়েছে। পিলখানা হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত উল্লেখ করে অবরোধকারীরা বলেন, দেশবিরোধী চক্রান্তের শিকার হয়েছেন বিডিআর সদস্যরা। কারাবন্দীদের মুক্তিসহ ৩ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।

সারা দেশ থেকে আসা বিডিআর সদস্যরা বুধবার (০৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান নেয়। পরে দুপুর ১২টার দিকে নিজেদের দাবি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করেন। তবে শাহবাগ থানার সামনে পুলিশ তাদের বাধা দিলে সেখানেই অবস্থান নেন আন্দোলনরতরা। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দফতরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় খালাস বা সাজাভোগ শেষে বিস্ফোরক মামলার কারণে ৪৬৮ জনের মুক্তি আটকে আছে। হত্যা মামলায় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ৮৫০ জনের বিচার শেষ হয়। এতে ১৫২ জনের ফাঁসি, ১৬০ জনের যাবজ্জীবন ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। খালাস পান ২৭৮ জন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর