বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামে হামলায় জড়িত ছাত্রদল নেতাদের বিচার চায় শিবির চট্টগ্রামের ঘটনায় বিক্ষোভের ডাক ছাত্রদলের হাত ট্রিগারেই আছে, প্রতিরক্ষা বাহিনীও সম্পূর্ণ প্রস্তুত: ইরান সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুমের বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর চলতি বছর মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ : আইএমএফ বিএনপি সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: প্রধানমন্ত্রী চুক্তি না হলে হামলার জন্য পুরোদমে প্রস্তুত মার্কিন বাহিনী: ট্রাম্প জামিন পেলেন দেড় মাসের সন্তানসহ কারাগারে যাওয়া সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী গ্রাফিতিতে ‘গুপ্ত’ লেখা নিয়ে চট্টগ্রামে সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ সরকারি সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত পুরোনো ভাড়াই বহাল

প্রেস ক্লাবের সামনে গ্রামীণফোনের চাকরিচ্যুত কর্মীদের মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৬৭ টাইম ভিউ

লাগাতার কর্মসূচির অংশ হিসাবে বৈষম্যের স্বীকার গ্রামীণফোনের ২০২ স্থায়ী কর্মীর অধিকার রক্ষায় আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন, অবস্থান ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ বছরের পর বছর সুকৌশলে মামলা ঝুলিয়ে রেখে কর্মীদের বেতন ভাতা বন্ধসহ অন্যান্য সকল আইনি অধিকার থেকে বঞ্চিতদের সপক্ষে তৃতীয় দিনের মতো আজ বুধবার (১৪ আগস্ট) মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে বৈষম্য বিরোধী গ্রামীণফোনের কর্মীগণ।

গ্রামীনফোন এমপ্লয়ীজ ইউনিয়নের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাসুলুল আমিন মুরাদের নেতৃত্বে মানববন্ধন কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিকেশন সেক্রেটারি আদিবা জেরিন চৌধুরীসহ ইউনিয়নের নেতাদের মধ্যে আজাহার ইসলাম, শাহরীয়ার মুরতুজা, শাহজাহান শাহ, আসাদুজ্জামান, হাবিবুর রহমান।রাসুলুল আমিন মুরাদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নয়ওয়ে ভিত্তিক এই কোম্পানির নিজ দেশ উন্নত শ্রমনীতি মেনে চললেও বাংলাদেশ আইনের চর্চা করে না।

উচ্চআদলতের মহামান্য আপিল বিভাগের রায় বাস্তবায়ন না করে গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ যে ধৃষ্টতা প্রদর্শন করিয়াছে তা স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ ও সরকারের প্রতি অসম্মানজনক ও ন্যাক্কারজনক। গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষের এই বেআইনী ছাঁটাই, অবৈধ লক-আউট ও অসৎ শ্রম আচরনসহ সকল অবৈধ ও ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকান্ডের বিষয়ে তদন্তপূর্বক গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে শান্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করতে বেআইনী ছাটাইয়ের শিকার ২০২ জন কর্মীকে তাদের স্বীয় কর্মে পুনর্বহালের ব্যবস্থা গ্রহণ ও নির্দেশনা প্রদানের জন্য বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি।

সমাবেশে বক্তারা জানান, ২০১২ সালের ২৪ জুন শুধু মাত্র ট্রেড ইউনিয়ন আবেদন করার অপরাধে ২১৩ জন কর্মীকে বেআইনীভাবে কোন রকম আত্মপক্ষ সমর্থন করার সুযোগ না দিয়ে সরাসরি চাকরিচ্যুত করেছিল গ্রামীণফোনের লিমিটেড। এদের মধ্যে থেকে ২২ জন কর্মী এই অন্যায় ও বৈষম্যের প্রতি মাথানত না করে আপসহীন থেকে বিগত ১৩ বছর ধরে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বিভিন্ন আদালতে আইনি যুদ্ধ চালিয়ে আসছে। অপরদিকে অপারেটরটি বিগত সরকারের সাথে আঁতাত করে বছরের পর বছর ধরে আইনের প্রক্রিয়া গুলোকে সুকৌশলে প্রলম্বিত করছে বলে দাবি করেন বিক্ষোভকারীরা।

সমাবেশে জানানো হয়, করোনা মহামারীর সময়ে গ্রামীণফোনের ব্যবসা প্রসার ও মুনাফা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি হওয়া সত্বেও ২০২০ সালের ২৩ এপ্রিল কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের সাধারণ শাখা হতে মহাপরিদর্শককে চিঠি দিয়ে শ্রমিক ছাটাই/ চাকুরীচ্যুতি বন্ধ রাখা হয় (স্মারক নম্বরঃ ৪০.০১.০০০০.১০২.২৭.০৩০. ১৮.৭৭৯) কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই সরকারি নির্দেশে অমান্য করে ২০২১ সালে ২১ জুন, যখন করোনা দ্বিতীয় ঢেউ তুঙ্গে সম্পূর্ণ দেশ যখন স্থবির ছিল লক ডাউনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ১৫৯ জন কর্মীকে একসাথে রাতের আঁধারে ছাঁটাই করা হয়। যদিও উল্লেখিত কর্মীদের একটি মামলা তখন মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে বিচারাধীন ছিল। পরবর্তীতে মহামান্য আপিল বিভাগের উক্ত মামলাটি নিষ্পত্তি করে রায় দেয়। কিন্তু রায়কে সম্মান না দেখিয়ে অন্য একটি মামলার মাধ্যমে স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত কর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। এটা বাংলাদেশ সরকারের সংবিধান এর ধারাঃ ১১১ এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর