সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৪:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এনসিপির সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদের বক্তব্য ঘিরে সংসদে বিতর্ক কুয়ালালামপুরে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত না ফেরার দেশে কুমিল্লা-২ আসনের সাবেক এমপি সেলিমা আহমেদ মেরী ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ এ দেখা যাবে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা লড়াই লেবাননে যুদ্ধবিরতি ও তেলের ছাড়পত্র না দিলে হরমুজ প্রণালি খুলবে না: ইরান মালয়েশিয়ার কারাগারে থাকা বাংলাদেশিদের মুক্ত করতে চেষ্টা চালাবো: প্রধানমন্ত্রী নৃশংসভাবে খুন হওয়া নাজমুলের পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা রহমাতুল্লাহ চাঁদাবাজির মামলায় এনসিপির নেতাসহ আটক ২ চাঁদাবাজির অভিযোগ: এমপিপুত্র সজীবকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ডিবি

বড়পুকুরিয়া মামলায় খালেদা জিয়াসহ তিনজন খালাস

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৮৮ টাইম ভিউ

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে খালাস দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৭ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২ এর বিচারক আবু তাহের এ আদেশ দেন।

এদিন এ মামলার অভিযোগ শুনানির দিন ধার্য ছিল। প্রথমে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ অন্য আসামিদের পক্ষে অব্যাহতির (ডিসচার্জ) আবেদনের শুনানি শেষ হয়। এরপর আদালত খালেদা জিয়াসহ তিনজনকে খালাস দেন।

একইসঙ্গে বাকি চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন আদালত। তারা হলেন- জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব নজরুল ইসলাম, পেট্রোবাংলার সাবেক চেয়ারম্যান এস আর ওসমানী ও সাবেক পরিচালক মঈনুল আহসান, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম ও খনির কাজ পাওয়া কোম্পানির স্থানীয় এজেন্ট হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন।

মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী এম সাইফুর রহমান, আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া, এমকে আনোয়ার, এম শামসুল ইসলাম, ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও সাবেক জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন মারা গেছেন। আর যুদ্ধাপরাধ মামলায় জামায়াতের দুই শীর্ষ নেতা মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। তাই এ মামলা থেকে তাদের আগেই অব্যাহতি দেয়া হয়।

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কয়লা উত্তোলন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণে ঠিকাদার নিয়োগে অনিয়ম এবং রাষ্ট্রের ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার ক্ষতি ও আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ থানায় মামলাটি করা হয়। ওই বছরের ৫ অক্টোবর ১৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এরপর ২০০৮ সাল থেকে উচ্চ আদালতের নির্দেশে দীর্ঘ ৯ বছর মামলাটির বিচার কাজ স্থগিত ছিল। সবশেষ ২০১৭ সালের ২৮ মে সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হয়। এরপর থেকে মামলাটি অভিযোগ গঠন শুনানি শুরু হয়।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর