শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন শিবা শানু, ছাড়তে হতে পারে শিল্পী সমিতির সভাপতির পদ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জয়লাভ করেছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ মুক্তি পাচ্ছে দেশের প্রথম এআই চলচ্চিত্র ‘গ্যাপ’ চিত্রনায়িকা পপির মা আর নেই জামায়াতের দুদিনের কর্মসূচি ঘোষণা তাহসিফ সাউরির জানাজা সম্পন্ন, উত্তরায় দাফন প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা আ.লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই: জামায়াত আমির শ্যালিকাকে বিয়ে, মুখে চুনকালি মাখিয়ে যুবক ও তার দুই স্ত্রীকে এলাকাছাড়া করল গ্রামবাসী

বাজারে সারের দাম বাড়ল

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৩
  • ২৫৯ টাইম ভিউ

অনলাইন ডেস্ক : এবার ডিলার ও কৃষক পর্যায়ে ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি সারের দাম কেজিপ্রতি পাঁচ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। আন্তর্জাতিক বাজারে সারের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারেও এ মূল্য বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গতকাল সোমবার (১০ এপ্রিল) কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হোসেন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সেখানে বলা হয়, চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক বাজারে সারের মূল্য বাড়ার কারণে আমদানি যৌক্তিক পর্যায়ে রাখা এবং এর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সারের মূল্য পুনর্নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আদেশ জারির তারিখ থেকে সারের মূল্য বৃদ্ধি কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে এতে।

এর আগে গত ৩ এপ্রিল সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে ‘সার বিষয়ক জাতীয় সমন্বয় ও পরামর্শক কমিটির সভা’ শেষে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছিলেন, অতীতের মতো আগামী বছরগুলোতে দেশে সারের দাম বাড়বে না।

সারের মজুতের পরিমাণের বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেছিলেন, ৪ লাখ টন ইউরিয়া সার মজুত রয়েছে। এছাড়া টিএসপি সার রয়েছে দুই লাখ টন, ডিএপি সার আড়াই লাখ টন এবং এমওপি সার সোয়া দুই লাখ টন। গত বছরের তুলনায় সব সারের পরিমাণই কিছুটা কম রয়েছে।

সার বিষয়ক জাতীয় সমন্বয় ও পরামর্শক কমিটির সভা শেষে মন্ত্রী আরও বলেন, সারের দাম বাড়বে না। কৃষক যাতে পর্যাপ্ত সার পায়, সে লক্ষ্যেই আমরা চাহিদা নির্ধারণ করেছি। মার্চে ইউরিয়া সারের চাহিদা বেশি ছিল, তবুও আমরা একটু কমিয়ে চাহিদা নির্ধারণ করেছি।

২০২৩-২৪ অর্থবছরে ইউরিয়া সারের চাহিদা ২৭ লাখ টন, টিএসপি সার সাড়ে ৭ লাখ টন ও এমওপি সারের চাহিদা ধরা হয়েছে ৯ লাখ টন। এছাড়া আমাদের ডিএপি সার প্রয়োজন হয় পাঁচ থেকে ছয় লাখ টন। কিন্তু এ সারের দাম কমানোর জন্য ১৬ লাখ টন চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর