বিতর্কিত এমন আউট নিয়ে ভারতীয় সাবেক তারকা ক্রিকেটার মোহাম্মদ কাইফ বলেছেন, ‘বিশ্বকাপ ফাইনালে হেরে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকলেও কখনো বাংলাদেশ দলের অধিনায়কের মতো কাজ করা উচিত নয়। খেলাধুলা ন্যায্যতার সঙ্গে না হলে তা খেলাধুলা নয়।’
ভারতের হয়ে ১২৫ ওয়ানডে ও ১৩ টেস্ট খেলা মোহাম্মদ কাইফ এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘এটা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। উইকেট পেতে কোনো রকম মরিয়া মনোভাবই এ রানআউটকে যৌক্তিক প্রমাণ করতে পারে না। সেটাও একজন অধিনায়কের পক্ষ থেকে। তরুণ খেলোয়াড়রা মনে রাখবে, বিশ্বকাপ ফাইনাল ঝুঁকিতে থাকলেও কখনো বাংলাদেশ অধিনায়কের মতো কাজ করবে না। খেলাধুলা ন্যায্যতার সঙ্গে না হলে তা খেলাধুলা নয়।’
ভারতের আরেক সাবেক ক্রিকেটার অজয় জাদেজা সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ দলের। তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছে বাংলাদেশকে বিশ্বাস করাটা অপরাধ।’
ভারতের হয়ে ১৫ টেস্ট ও ১৯৬ ওয়ানডে খেলা জাদেজা এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের টাইমড আউট থেকে সালমান আগার বিতর্কিত রানআউট—মনে হচ্ছে বাংলাদেশকে বিশ্বাস করাটা অপরাধ। বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলার সময় সব দলেরই অতিরিক্ত সতর্ক থাকা দরকার।’
৩৯তম ওভারে মিরাজের বলটি সামনে খেলেন স্ট্রাইকের ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ রিজওয়ান। বল আসে মিরাজের দিকে, তিনি সেটি পা দিয়ে আটকান। এ সময় নন-স্ট্রাইকে থাকা ব্যাটসম্যান সালমান একটু এগিয়ে তার ক্রিজের বাইরে চলে যান। বলটি মিরাজ ও সালমানের পায়ের কাছেই ছিল। সালমান বলটি মিরাজের হাতে দিতে একটু ঝুঁকেছিলেন। কিন্তু সালমান বল ধরার আগেই মিরাজ খুব দ্রুত বল নিয়ে স্টাম্পে মারেন এবং রানআউটের আবেদন করেন। সালমান ক্রিজের বাইরে থাকায় তৃতীয় আম্পায়ার তাকে আউট ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় সালমান গ্লাভস-হেলমেট ছুড়ে ফেলে মাঠেই ক্ষোভ ঝাড়েন। কেউ কেউ প্রশ্ন তোলেন বাংলাদেশ অধিনায়কের খেলোয়াড়সুলভ মানসিকতা নিয়েও। যদিও বল ‘ডেড’ হওয়ার আগে সালমান ক্রিজের বাইরে থাকায় নিয়মানুযায়ী তিনি রানআউট।
এদিন টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে সালমান আলি আগার ৬২ বলে খেলা ৬৪ আর মাজ সাদাকাতের ৪৬ বলের ৭৫ রানের ঝড়ো ইনিংসে ৪৭.৩ ওবারে ২৭৪ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান।
টার্গেট তাড়া করতে নেমে হারিস রউফ ও শাহিন শাহ আফ্রিদির গতি এবং মাজ সাদাকাতের স্পিনে বিভ্রান্ত হয়ে ২৩.৩ ওভারে ১১৪ রানেই অলআউট হয় বাংলাদেশ।
পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক সালমান আলি আগাকে ৬৪ রানে আউট করা বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মিরাজ ফেরেন ৫ বলে মাত্র ১ রান করে।