সর্বশেষ ২০০৭ সালে ব্রাজিলিয়ান হিসেবে সালে ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন রিকার্ডো কাকা। এসি মিলানের তিনটি শিরোপা জয়ে (উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ, উয়েফা সুপার কাপ ও ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ) বড় অবদান রেখে সেবার ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন সাবেক এই ব্রাজিলিয়ান। মাঝখানে সংক্ষিপ্ত তালিকায় নেইমারের নাম থাকলেও আর কোনো ব্রাজিলিয়ান ব্যালন ডি’অর জিততে পারেনি। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের সুযোগ আছে ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড় হিসেবে এই খরা কাটানোর।
এবারের মৌসুমে রিয়ালের হয়ে দারুণ ছন্দে আছে ভিনিসিয়ুস। এই ফরোয়ার্ড এখন পর্যন্ত ৩৮ ম্যাচ খেলে করেছেন ২৩ গোল, সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ১১টি। রিয়ালকে স্প্যানিশ সুপার কাপ ও লা লিগার চ্যাম্পিয়ন বানাতেও বড় ভূমিকা রেখেছেন। দলকে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে তুলতেও সাহায্য করেছেন।
র্ইংলিশ মিডফিল্ডার জুড বেলিংহাম রিয়ালে যোগ দেওয়ার আগে ভিনি বেশির ভাগ ম্যাচ খেলতেন লেফট উইঙ্গার হিসেবে। ইদানীং প্রায়ই তাকে সেন্টার ফরোয়ার্ডের ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে। ফলে নিয়মিত গোল পাচ্ছেন তিনি।
বরুশিয়ার বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতে ব্রাজিলকে কোপা আমেরিকা শিরোপা জেতাতে পারলে এ বছর ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে তিনিই এগিয়ে থাকবেন।
তবে ভিনিসিয়ুসের কাছে এ মুহূর্তে ব্যালন ডি’অর নয়, চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জেতাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
১জুন লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের মুখোমুখি হবে রিয়াল মাদ্রিদ। ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের শীর্ষ এই প্রতিযোগিতায় ১৫তম ট্রফিটি উঁচিয়ে ধরার অপেক্ষায় লস ব্লাঙ্কোসরা।
ফাইনালের আগে ভিনিসিয়ুস সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তার কাছে ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দলীয় অর্জনই বড়, ‘ব্যালন ডি’অর জয় নিয়ে আমি কখনো ভাবিনি। এই মৌসুমে আমার অন্যতম লক্ষ্য হবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতা।