বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ: টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করেও অভিযুক্তকে নিয়ে যেতে পারেনি পুলিশ শিশু রামিসা হত্যা :সংক্ষিপ্ত সময়ে দৃষ্টান্তমূলক বিচার সম্পন্ন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামিসার বাসায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাধারণ রেস্তোরাঁ ও ক্ষু’দ্র দোকান থেকেও নেয়া হবে কর : অর্থমন্ত্রী আগামী বাজেটের জন্য ধ্রুবতারা হবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ: দেবপ্রিয় রাজধানীর মসজিদুল আকবর কমপ্লেক্সের ছাঁদ ধসে উঠছে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ !! রাজধানীর পল্লবীর রামিসার বাসায় প্রধানমন্ত্রী ‘ভাবনাকে একা সাজিয়ে আদালতে নিয়ে আসেন ফুফু’ হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৪৮১ ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘ভাবনাকে একা সাজিয়ে আদালতে নিয়ে আসেন ফুফু’

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
  • ২ টাইম ভিউ
‘ভাবনাকে একা সাজিয়ে আদালতে নিয়ে আসেন ফুফু’

প্রতারণার মামলায় শারমিন আক্তার একার পরিবর্তে আদালতে আত্মসমর্পণ করে কারাগারে যাওয়া নারীর পরিচয় প্রকাশ করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গেছে, ওই নারীর নাম ভাবনা আক্তার। তিনি একার ফুফাতো বোন। বৃহস্পতিবার (২১ মে) আদালতে জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে উত্তরা পূর্ব থানার উপপরিদর্শক মাহবুবুল আলম এ তথ্য জানান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১২ মে শারমিন আক্তার একা ও লাইলী শাহনাজ খুশি নামে দুই আসামি আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে একার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।

রিমান্ড শুনানির সময় বাদীপক্ষের আইনজীবী আদালতকে জানান, কাঠগড়ায় থাকা নারী প্রকৃতপক্ষে শারমিন আক্তার একা নন। এরপর আদালত বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই নারীর তিন দিনের রিমান্ডও মঞ্জুর করা হয়।

রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওই নারী নিজের নাম ভাবনা আক্তার বলে স্বীকার করেন। তিনি জানান, একা তার ফুফাতো বোন। একার মা লাইলী আক্তার মুন্নির অনুরোধে তিনি আদালতে এসে একার পরিচয়ে আত্মসমর্পণ করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ভাবনা একজন ডিভোর্সি নারী এবং পাঁচ বছরের সন্তান নিয়ে রাজধানীর ওয়ারীতে বসবাস করেন। তদন্তে আরও জানা যায়, পুরো পরিকল্পনার পেছনে ছিলেন সোহেল ফকির নামে এক ব্যক্তি। তার পরামর্শেই ভাবনাকে আদালতে পাঠানো হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা জানান, ভাবনা মিথ্যা পরিচয়ে আদালতে আত্মসমর্পণের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। প্রাথমিক তদন্তে প্রতারণা চক্রের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততারও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

পরে আদালত ভাবনাকে মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। একইসঙ্গে তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

মামলাটি করা হয় এক ব্যবসায়ীর অভিযোগের ভিত্তিতে। অভিযোগে বলা হয়, প্রাচীন পিলারের ব্যবসা, ‘কুফরি কালাম’ এবং ‘শয়তানের নিশ্বাস’-এর ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকা ও বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। মামলায় শারমিন আক্তার একাসহ মোট ২৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্তে ইতোমধ্যে কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর