প্রশ্ন : ঠিক আগের ম্যাচটাতেই আপনারা ভালো খেললেন, রক্ষণকাজ খুব ভালো করলেন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। লেবাননের বিপক্ষে কী সমস্যা হয়েছিল?
রাকিব হোসেন : সবাই মিলেই চেষ্টা করেছি। খেলাও বেশ ভালো হয়েছে, কিন্তু রেজাল্ট সেটা দেখাচ্ছে না।
প্রশ্ন : আপনাদের আক্রমণভাগে তুলনামূলক সমন্বয় ভালোই ছিল, কিন্তু রক্ষণভাগে এক ম্যাচ পরই এমন নড়বড়ে হয়ে গেল কী করে?
রাকিব : আসলে সবাই ভালো করার চেষ্টা করে।
কখনো কখনো প্রত্যাশা অনুযায়ী হয় না। ছোট ছোট ভুলের কারণে তা নষ্ট হয়ে যায়। আমরা সবাই ইতিবাচক ছিলাম। এমন ফলের পর প্রত্যেকেরই খুব মন খারাপ।
প্রশ্ন : ইতিবাচক হলে অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের মতো ৫ ডিফেন্ডার নিয়ে তাহলে কেন খেললেন? আপনাদের অভ্যস্ত ছকে ফেরা কি উচিত ছিল না?
রাকিব : আসলে এক ম্যাচ পরই ছক বদলে ফেলতে চাননি কোচ। তাতেও আসলে সমস্যা হয়। যেহেতু এই ফরমেশনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আমরা ভালো করেছিলাম, সেটাই উনি ধরে রেখে খেলাতে চেয়েছেন। আসলে ম্যাচ হারের পর সব সময় ভুলগুলো বের হয়।
তার আগে তো বোঝা যায় না।
প্রশ্ন : কিন্তু সে ক্ষেত্রেও সেন্টারব্যাকে তরুণ শাকিল হোসেনকে খেলানো কি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল না? বিশ্বনাথকে ব্যবহার করা হলো না…
রাকিব : শাকিলও ভালো। কোচ অনুশীলনে সব কিছু দেখেটেখে যা ভালো মনে করেছেন, সেটাই করেছেন।
প্রশ্ন : এভাবে খেলানোর সিদ্ধান্ত কি হুট করেই নিয়েছিলেন তিনি? ম্যাচে রক্ষণভাগকে অপ্রস্তুত মনে হয়েছে।
রাকিব : না, না।
হুট করে নয়। আমরা কাতারে পৌঁছে শুরু থেকেই এভাবে পরিকল্পনা করেছি। আর শুধু রক্ষণভাগকে সব দায় দিতে চাই না। ওপরে আমরাও তো সুযোগ পেয়েছিলাম। আমার একটা শটে খুব ভালো ‘সেভ’ হয়েছে, আরেকটা আমিই ওপর দিয়ে মেরেছি। তাই আমারও ভুল ছিল। আমি সব সময় সেটাই দেখি, অন্যের ভুল নয়।
প্রশ্ন : শুরুতে গোল হজম করে চাপে পড়েই কি এমনটা হয়েছে?
রাকিব : হ্যাঁ, শুরুর গোলটা থেকে আমাদের ওপর চাপ এসেছে। দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে আবার বেশি আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে আরো গোল হজম করতে হয়েছে। সে সময় আমরা রক্ষণাত্মক থাকলে হয়তো ব্যবধান এত বড় হতো না। কিন্তু আমরা ম্যাচটা জিততে চেয়েছিলাম।