শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গোয়ালন্দে আদদ্বীন কৃষি ভান্ডারের আয়োজনে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, জয়ী ব্রাজিল সমর্থন দল বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম এপ্রিলে তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ: এফএও রাজধানীর কদমতলীতে ফোমের কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট মির্জা ফখরুলসহ ১৫ জন পাচ্ছেন খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, শনাক্ত ২৮২ আমরা জুলাই সনদের প্রতিটি দাঁড়ি-কমা মেনে চলতে অঙ্গীকারবদ্ধ: আইনমন্ত্রী বঙ্গোপসাগরে আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা চালাতে পারে ভারত ময়মনসিংহে জাল নোটসহ চক্রের ২ নারী সদস্য গ্রেফতার পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কাল শপথ শাপলা ট্রাজেডিকে বিএনপিই প্রথম ‘গ ণ হ ত্যা’ বলেছিল: তথ্যমন্ত্রী

মালয়েশিয়ায় দুই বাংলাদেশি ‘মানবপাচারকারী’ ও ৯ ভুক্তভোগী আটক

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬
  • ৬ টাইম ভিউ
মালয়েশিয়ায় দুই বাংলাদেশি 'মানবপাচারকারী' ও ৯ ভুক্তভোগী আটক

মালয়েশিয়ায় পাচারের শিকার নয় বাংলাদেশিকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। তাদের অবৈধভাবে দেশটিতে প্রবেশে সহায়তার অভিযোগে আরও দুই বাংলাদেশিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বারনামা জানিয়েছে, সেলাঙ্গরের পেটালিং জায়ায় একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ‘শফিক গ্যাং’ নামে পরিচিত বাংলাদেশি অভিবাসী পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকে আটক করে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।

গত ৫ মে ওই অভিযানের পর ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান জানান, মালয়েশিয়ায় পাচার করে আনা হয়েছে এমন সন্দেহে তারা নয়জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছেন। তিনি বলেন, পাচারে সহায়তাকারী হিসেবে কাজ করা চক্রের আরও দুই বাংলাদেশি সদস্যকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বয়স ২০ থেকে ৪৯ বছরের মধ্যে। মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানবিরোধী ২০০৭ সালের আইনে তদন্তের জন্য তাদের পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে।

বারনামা জানায়, যে বাড়িটিতে অভিযান চালানো হয়েছিল, সেটি অবৈধ অভিবাসীদের লুকিয়ে রাখা এবং ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হতো। জাকারিয়াকে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ধারণা করা হচ্ছে, তারা (নয় বাংলাদেশি) প্রায় দুই দিন আগে একটি প্রতিবেশী দেশে প্রবেশ করে, এরপর সেখান থেকে পাচার হয়ে মালয়েশিয়ায় আসে।’

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার অন্য দুই বাংলাদেশি ওই ট্রানজিট হাউজের পাহারাদার হিসেবে কাজ করতেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ফেব্রুয়ারি থেকে সক্রিয় ছিল এই চক্রটি। তারা তৃতীয় কোনো দেশের রুট ব্যবহার করে এবং কেলান্তান সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বিদেশিদের মালয়েশিয়ায় নিত। এরপর তাদের সরাসরি ক্লাং ভ্যালি এলাকায় নিয়ে গিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠানো হতো। জাকারিয়া বলেন, প্রত্যেক অভিবাসী আনার জন্য চক্রটি ১৫ হাজার রিঙ্গিত (৩,৮২৫ ডলার) পর্যন্ত আদায় করত। এ কারবার শুরুর পর থেকে তারা প্রায় ১৬ লাখ রিঙ্গিতের (চার লাখ আট হাজার ডলারের বেশি) ব্যবসা করেছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর