বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামে হামলায় জড়িত ছাত্রদল নেতাদের বিচার চায় শিবির চট্টগ্রামের ঘটনায় বিক্ষোভের ডাক ছাত্রদলের হাত ট্রিগারেই আছে, প্রতিরক্ষা বাহিনীও সম্পূর্ণ প্রস্তুত: ইরান সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুমের বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর চলতি বছর মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ : আইএমএফ বিএনপি সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: প্রধানমন্ত্রী চুক্তি না হলে হামলার জন্য পুরোদমে প্রস্তুত মার্কিন বাহিনী: ট্রাম্প জামিন পেলেন দেড় মাসের সন্তানসহ কারাগারে যাওয়া সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী গ্রাফিতিতে ‘গুপ্ত’ লেখা নিয়ে চট্টগ্রামে সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ সরকারি সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত পুরোনো ভাড়াই বহাল

রাজধানীতে ‘রাজু ও বেলচা মনির’ গ্রুপের সংঘর্ষ, নিহত ১

স্টাফ রিপোর্টার :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪৯ টাইম ভিউ

রাজধানীর আদাবর থানাধীন বালুর মাঠ এলাকায় বাসায় ঢুকে রিপন ওরফে নিপু (৩৫) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে কিশোর গ্যাং ‘কব্জি কাটা গ্রুপের’ বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার বিকাল পৌনে ৬টার দিকে তিনি মারা যান।

ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) একে এম মেহেদী হাসান রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, আদাবর ১৭ নম্বর বালুর মাঠ এলাকায় রাজু গ্রুপের সদস্য রিপনকে প্রতিদ্বন্দ্বী বেলচা মনির গ্রুপের সদস্যরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

তিনি আরও জানান, নিহত রিপনের বিরুদ্ধে ভোলার তজুমদ্দিন ও বোরহানউদ্দিন থানায় দুটি মামলা রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত রিপন কিশোর গ্যাং রাজু ওরফে ভাইগ্না রাজু গ্রুপের প্রধান রাজুর ভাই। কয়েকদিন আগে এই রাজুকেও প্রতিদ্বন্দ্বী আয়েশা গ্রুপের সদস্যরা কুপিয়ে আহত করেছিল।

অভিযোগ রয়েছে, মোহাম্মদপুর এলাকায় কিশোর গ্যাং কব্জি কাটা গ্রুপের প্রধান আনোয়ার কারাগারে যাওয়ার পর তার সহযোগী বেলচা মনির মাদক স্পট ও চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নেয়। চাপাতি দিয়ে কোপাতে পারদর্শী হওয়ায় এলাকায় সে ‘বেলচা মনির’ নামে পরিচিত। তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম জাকারিয়া বলেন, “আমার এলাকায় এ ধরনের কোনো হত্যার ঘটনা ঘটেনি। আর আদাবর ১০ নম্বর এলাকায় কোনো বস্তি নেই।”

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর