শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লেবানন-ইসরাইলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ট্রাম্পের দেশের রিজার্ভে বড় সুখবর, ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ প্রজেক্ট প্রদর্শনী ও অলিম্পিয়াড এ জেলায় প্রথম স্থান অর্জন ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে ফের যুদ্ধ শুরু হবে, হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশোধ নয়, জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি: প্রধানমন্ত্রী মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পারস্য উপসাগরে দ্বিতীয় ইরানি সুপারট্যাঙ্কার ইউরোপে আর মাত্র ছয় সপ্তাহের জেট ফুয়েল অবশিষ্ট আছে: আইইএ প্রধান হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত, এনটিআরসিএর প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বাধা নেই বিপিসির শীর্ষপর্যায়ে ৭ কর্মকর্তাকে বদলি-পদায়ন শুক্রবার হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

হাদি হত্যা মামলা: অস্ত্র বিক্রেতা হেলাল ৩ দিনের রিমান্ডে

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১ টাইম ভিউ
হাদি হত্যা মামলা: অস্ত্র বিক্রেতা হেলাল ৩ দিনের রিমান্ডে

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অস্ত্র ব্যবসায়ী মো. মাজেদুল হক হেলালকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (১৫ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এর আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হারুন-অর-রশীদ রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন।

আদালতে হাজির করা হলে আসামির কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না এবং তিনি নিজেও কোনো বক্তব্য দেননি। তদন্তে জানা গেছে, হাদি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত পিস্তলটি নরসিংদী থেকে উদ্ধার করা হয়। মাইক্রো অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে অস্ত্রটির সিরিয়াল নম্বর শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

পিস্তলটি ২০১৭ সালে রাজধানীর পুরানা পল্টনের একটি অস্ত্রের দোকান থেকে চকবাজারের আরেক দোকানে বিক্রি করা হয়। পরে ২০১৮ সালে সেটি চট্টগ্রামের একটি অস্ত্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছায়, যার মালিক গ্রেপ্তারকৃত হেলাল।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, হেলালের অস্ত্র লাইসেন্সের মেয়াদ ২০১৪ সালের পর আর নবায়ন করা হয়নি। তারপরও তিনি অস্ত্র ক্রয় করেন। কীভাবে সেই অস্ত্র অপরাধীদের হাতে পৌঁছেছে—তা জানতেই তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে নির্বাচনী প্রচারণা শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে বক্স কালভার্ট এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতাল এ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হলে ১৮ ডিসেম্বর সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পরদিন পল্টন থানায় মামলা দায়ের করা হয়, যা পরে হাদির মৃত্যুর পর হত্যা মামলায় রূপ নেয়। মামলায় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় হত্যাচেষ্টা, ষড়যন্ত্র, বিপজ্জনক অস্ত্র ব্যবহারসহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর