সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডার্ক ওয়েবে ‘৬০ লাখ’ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির বিজ্ঞাপন মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে নতুন সিন্ডিকেটের শঙ্কা জামায়াত-এনসিপির আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন দুদকের প্রথম মামলা, পদ্মা ব্যাংকের এমডিসহ ১০ জন আসামি ভারত-চীন সীমান্ত আলোচনার জন্য চীন সফরে যাচ্ছেন অজিত দোভাল আদিতমারী উপজেলার ফলিমারীর শিশু নন্দিনী হত্যা মামলার প্রধান আসামি, ঘাতক বিধানের মৃত্যুদন্ডের রায় প্রকাশ। পরীমণির গাড়ি বিতর্ক: ‘মাসরুর’ নামের বিভ্রান্তির মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া কাঁঠাল ও কাঁঠালের বিচির উপকারিতা হাওরের ‘নিরালা’ হয়ে পর্দায় আসছেন রুনা খান বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ১০ বছর যেন ২০ বছরে পরিণত না হয়: শামা ওবায়েদ জাহ্নবীর আপত্তিকর কনটেন্ট: ৫৫২ লিংক সরানোর নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

১১৯ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০২৪
  • ১৩৯ টাইম ভিউ

অনলাইন ডেস্ক: নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মোহাম্মদ ইউনূসকে ১১৯ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

২০১১ সাল থেকে পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য ড. ইউনূসকে এই অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

যদিও এর আগে ইউনূস সেন্টার এক বিবৃতিতে কর ফাঁকি সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের বক্তব্য তুলে ধরে বলেছে, প্রফেসর ইউনূসের যে টাকা নিয়ে পত্র-পত্রিকা ও টেলিভিশনে আলাপ চলছে, তার পুরোটাই প্রফেসর ইউনূসের অর্জিত টাকা। তার উপার্জনের সূত্র প্রধানত তার বক্তৃতার ওপর প্রাপ্ত ফি, বই বিক্রি লব্ধ টাকা এবং পুরস্কারের টাকা। এর প্রায় পুরো টাকাটাই বিদেশে অর্জিত টাকা। এই টাকা বৈধভাবে ব্যাংকিং চ্যানেলে আনা হয়েছে। কর বিভাগ তা অবহিত আছে। কারণ, সব টাকার হিসাব তার আয়কর রিটার্নে উল্লেখ থাকে।

ওই বিবৃতিতে ইউনূস সেন্টার থেকে আরও বলা হয়, তিনি জীবনে কোনো সম্পদের মালিক হতে চাননি। তিনি মালিকানামুক্ত থাকতে চান। কোথাও তার মালিকানায় কোনো সম্পদ নেই (বাড়ি, গাড়ি, জমি বা শেয়ার ইত্যাদি)। তাই তিনি সিদ্ধান্ত নেন তার উপার্জনের টাকা দিয়ে ২টি ট্রাস্ট গঠন করবেন। তিনি তাই করেছেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর