বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা আ.লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই: জামায়াত আমির শ্যালিকাকে বিয়ে, মুখে চুনকালি মাখিয়ে যুবক ও তার দুই স্ত্রীকে এলাকাছাড়া করল গ্রামবাসী মোবাইলে যেভাবে দেখবেন এইচএসসির ফলাফল ইমরান খানের ‘ভারত ছাড়ার নির্দেশ’ স্থগিত করলেন আদালত চলে গেলেন ‘সিআইডি’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা বিপি সিং চাকরির প্রলোভনে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিককে রুশ বাহিনীতে নিয়োগ ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাউজানে অস্ত্রের মুখে নারীর ২৫ লাখ টাকা ছিনতাই! যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক নিহত

ধারাভাষ্যে হিন্দিকে জাতীয় ভাষা বলায় তোপের মুখে সাবেক ভারতীয় কোচ

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫৩ টাইম ভিউ
ধারাভাষ্যে হিন্দিকে জাতীয় ভাষা বলায় তোপের মুখে সাবেক ভারতীয় কোচ

ভারত–নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচ চলাকালীন লাইভ ধারাভাষ্যে করা এক মন্তব্য ঘিরে বিতর্কে জড়িয়েছেন ভারতের সাবেক কোচ সঞ্জয় বাঙ্গার। ভাদোদরায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে তিনি হিন্দিকে ভারতের “জাতীয় ভাষা” বলে উল্লেখ করেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

ঘটনাটি ঘটে ধারাভাষ্য চলাকালে সাবেক ভারতীয় পেসার বরুণ অ্যারন–এর সঙ্গে আলাপে। ভাষা প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বাঙ্গার বলেন, দক্ষিণ ভারতের মানুষ আঞ্চলিক ভাষাকে বেশি গুরুত্ব দিলেও হিন্দি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সেটিই ভারতের জাতীয় ভাষা। তার এই মন্তব্য মুহূর্তেই দর্শকদের নজরে আসে।

আলোচনার এক পর্যায়ে বরুণ অ্যারন মজার ছলে বলেন, কেএল রাহুলকে হয়তো ওয়াশিংটন সুন্দর–এর সঙ্গে তামিলে কথা বলতে হতে পারে, কারণ সুন্দর তামিল ভালো বোঝেন। তখন বাঙ্গার জবাব দেন, তিনি “জাতীয় ভাষা”-তেই বেশি বিশ্বাসী—যা বিতর্ক আরও উসকে দেয়।

ভিডিও ক্লিপটি ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই মনে করিয়ে দেন, ভারতে কোনো “জাতীয় ভাষা” নেই—সংবিধান অনুযায়ী হিন্দি ও ইংরেজি কেন্দ্রীয় সরকারের দাপ্তরিক ভাষা হলেও জাতীয় ভাষা হিসেবে কোনো ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।

একজন ব্যবহারকারী লেখেন, লাইভ টিভিতে বসে এমন ভুল তথ্য দেওয়া একজন সাবেক জাতীয় কোচের কাছ থেকে প্রত্যাশিত নয়। আরেকজন মন্তব্য করেন, “হিন্দিকে জাতীয় ভাষা বলা সম্পূর্ণ ভুল—অনুগ্রহ করে নিজেকে আগে শিক্ষিত করুন।” কেউ কেউ আবার বাঙ্গারের মন্তব্যকে “অসংবেদনশীল” বলেও আখ্যা দেন।

এদিকে ধারাভাষ্য চলাকালীন পরিস্থিতি সামাল দিতে আলোচনায় হস্তক্ষেপ করেন উপস্থাপক জতিন সাপ্রু, ফলে বিষয়টি সেখানেই থেমে যায়। তবে বিতর্কের রেশ থেকে যায় সামাজিক মাধ্যমে।

এই ঘটনায় আবারও সামনে এলো ভারতের ভাষাগত বৈচিত্র্য ও সংবিধানগত বাস্তবতা—যেখানে ভাষা নিয়ে সামান্য ভুল মন্তব্যও বড় বিতর্কে রূপ নিতে পারে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর