সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ন

নয়াদিল্লিতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসছে বিজিবি-বিএসএফ

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
  • ২ টাইম ভিউ
নয়াদিল্লিতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসছে বিজিবি-বিএসএফ

আগামী সপ্তাহে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসতে যাচ্ছে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)। আগামী ০৮ জুন থেকে ১১ জুন পর্যন্ত ৩ দিনের এ বৈঠক ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে হবে।

বিএসএফের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পিটিআই জানিয়েছে, অনুষ্ঠিতব্য বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মুহম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং বিএসএফের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকবেন বিএসএফের মহাপরিচালক প্রবীন কুমার।

বাংলাদেশে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর এ প্রথম বিজিবি-বিএসএফের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হচ্ছে। সীমান্তে কাঁটাতার, অনুপ্রবেশ রোধ এবং পশ্চিমবঙ্গ ও ভারতের অন্যান্য রাজ্যে বসবাসরত কথিত নথিবিহীন বাংলাদেশিদের বিজিবির কাছে হস্তান্তরের বিষয়গুলি উঠে আসতে পারে বৈঠকে। পাশাপাশি বিএসএফ জওয়ানদের উপর হামলার অভিযোগগুলো নিয়েও কথা হতে পারে দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর প্রতিনিধিদের মধ্যে। ঘটনাচক্রে, এমন এক সময়ে এ বৈঠক হচ্ছে যখন বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি আরও বৃদ্ধি করেছে ভারত। পশ্চিমবঙ্গের নতুন বিজেপি সরকার সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য বিএসএফ-এর হাতে জমি হস্তান্তর করেছে। অনুপ্রবেশকারীরা ধরা পড়লে তাদের বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অনুপ্রবেশকারী এবং অবৈধবাসীদের রাখার জন্য জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টারও খোলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ভারত-বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের দৈর্ঘ প্রায় ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার। দীর্ঘ এ সীমান্তের ৮৬০ কিলোমিটার এলাকা এখনও কাঁটাতারহীন অবস্থায় রয়েছে। এ ৮৬০ কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় ১৭৪ কিলোমিটার সীমান্তে ভৌগোলিক ও অন্যান্য কারণে কাঁটাতার বসানো সম্ভব নয়। এ অবস্থায় সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিএসএফের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে পিটিআই জানাচ্ছে, সীমান্ত অপরাধ দমন এবং দুই বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতার বিষয়েই আলোচনা হবে ওই বৈঠকে।

এ বছরের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করে দলটি। নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দিল্লি ও ঢাকার কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরে সে সম্পর্ক আবার মসৃণ করতে তৎপর হয়েছে দু’দেশই।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর