বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান জোরদার হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী এরশাদের আদর্শে জাতীয় পার্টিকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান তরুণদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরে সংসদের সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান চীফ হুইপের হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতি সংরক্ষণে জাতীয় উদ্যোগের দাবি জোরালো কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, পানিবন্দি প্রায় ২ লাখ, মৃত বেড়ে ২৮ ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই শেষে সুস্থতার পথে ইবরার টিপু প্রতারণার মামলায় তানজিন তিশাকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ গোয়ালন্দে হালিম মিয়া কলেজের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরন, রোপন ও রেলী অনুষ্ঠিত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ১০ জেলায় নতুন করে বন্যার শঙ্কা পলাতকদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান জোরদার হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬
  • ১৮ টাইম ভিউ
ছবি সংগ্রহীত

সময়ের আওয়াজ ডেস্ক : চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ এবং নির্ধারিত কোর্স সম্পন্ন না করার প্রবণতা দেশের জন্য বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) নিয়ন্ত্রণে বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধে বিদ্যমান আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হবে এবং এ বিষয়ে তদারকি ও অভিযান আরও বাড়ানো হবে।

বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য শিরীন সুলতানার উত্থাপিত জরুরি জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট নোটিশের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন। আলোচনায় শিরীন সুলতানা উল্লেখ করেন, দেশের অনেক মানুষ চিকিৎসকের পরিবর্তে ফার্মেসির বিক্রয়কর্মীর পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করেন এবং অনেক রোগী ওষুধের পূর্ণ কোর্স শেষ না করায় জীবাণু প্রতিরোধক্ষম হয়ে উঠছে। তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সকে বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্যের অন্যতম বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি নিষিদ্ধ করতে দেশে প্রয়োজনীয় আইন রয়েছে এবং নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নকল ওষুধ উৎপাদনকারী একাধিক আয়ুর্বেদিক ও ইউনানি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে জরিমানা ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও শহরে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে নিয়মিত ওষুধের দোকানে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। নকল ওষুধ বা আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ মিললে গ্রেপ্তার, জরিমানা এবং প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, এ ধরনের অপরাধের জন্য দেশে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, নকল ওষুধ উৎপাদন ও অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে সরকার আরও কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভবিষ্যতেও আইন প্রয়োগ, তদারকি এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম একযোগে চালিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর