বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ন

এখানে গণতন্ত্র নিয়ন্ত্রিত: অলি আহমদ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫ টাইম ভিউ
এখানে গণতন্ত্র নিয়ন্ত্রিত: অলি আহমদ
ছবি-সংগৃহীত

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩ তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছেন ১১ দলীয় ঐক্যের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী ও এলডিপি’র চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম। বৃহস্পতিবার দেওয়া এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি রাষ্ট্র ও সংবিধানের অভিভাবক হিসেবে নব-নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি স্বাধীনতা, গনতন্ত্র এবং ইনসাফের সুরক্ষায় দৃঢ়তা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালনে সক্ষম হবেন।’ এর আগে রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএসে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালেলিবারেল ডেমক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্ণেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, জনগণ একজন রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে যা প্রত্যাশা করে, তার কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তার প্রতিফলন ঘটবে বলে আমি আশা করি। এই নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারিত। কোনো সংসদ সদস্য তাঁর ইচ্ছায় ভোট দিতে পারবেন না। দলের পক্ষ থেকে যেখানে ভোট দিতে বলবে সেখানেই দিতে হবে। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কেউ যদি দলের বাইরে ভোট দেয়, তাহলে তার পদ থাকবে না। এখানে গণতন্ত্র নিয়ন্ত্রিত।

তিনি বলেন, আমরা গত নির্বাচনের আগে সংবিধানের সংশোধনের বিষয়টা জনগণের সামনে নিয়ে গিয়েছিলাম। বিএনপি প্রায় ৩/৪ বছর আগের তাদের ৩১ দফায় ৭ নম্বর দফায় বলেছিল, ক্ষমতায় আসলে ৭০ অনুচ্ছেদ উঠিয়ে দেওয়া হবে। শুধু দুইটা ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য হবে।

তিনি আরও বলেন, ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, কিন্তু তড়িঘড়ি করে তারা নির্বাচনটা করছে। হয়তো তারা মনে করছে, সংবিধান সংশোধনের আগে নির্বাচনটা করলে তাদের প্রার্থী জয়লাভ করবে। সংশোধন হয়ে গেলে হয়তো একটা সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।কর্ণেল অলি বলেন, এখানে সরকার থেকে মির্জা ফখরুল ইসলামকে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। উনাকে আমি ২০০১ সালের আগে তেমন দেখিনি। এর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দেখিনি, হয়তো এলাকায় কাজ করেছে।

রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সম্পর্কে তিনি বলেন, বঙ্গভবনে তিনটা বুজুর্গের মাজার আর একটা মসজিদ আছে। এই তিনটা মাজার জেয়ারত আর মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়া ছাড়া স্বাধীনভাবে কাজ করার আর সুযোগ নাই। আমরা আগামী দিনে সংসদে বসলে ক্ষমতার ভারসাম্য আসবে, জনগণের জন্য সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবে এবং মানুষ সুখে শান্তিতে বসবাস করবে।আমাকে যারা সমর্থন করেছেন, সবাইকে ধন্যবাদ। বিভিন্ন সংস্থা সার্ভে করেছে। যেখানে জনগণ আমাকে ৬৮ থেকে ৭০ শতাংশ সমর্থন দিয়েছেন। মির্জা ফখরুল ইসলামকে ২৮, ৩০ ও ৩২ শতাংশ সমর্থন দিয়েছে। সুতরাং জনগণ তাদের মতামত পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করেছে। এটা আপনারা সবাই জানেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর