শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অবৈধ অভিবাসী প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় ঢাকার দ্রুত সহযোগিতা চায় ভারত আট জেলায় ৮০ কিমি বেগে কালবৈশাখীর পূর্বাভাস; নদীবন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ৪ কিংবা ৫-এ থাকতে চায় বাংলাদেশ বিপিএল ফিক্সিং কাণ্ডে শাস্তি পেলেন ক্রিকেটারসহ ৫ জন সরকার শিক্ষকতার মানোন্নয়নে কাজ করতে বদ্ধপরিকর: শিক্ষামন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পর বাংলাদেশের দায়িত্ব বেড়ে গেছে : নাহিদ ইসলাম অবশেষে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা, শেষ মমতার দীর্ঘ শাসন ঈদ ঘিরে অপরাধ প্রতিরোধে সজাগ থাকতে হবে: ডিএমপি কমিশনার ভারত সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী, তাদের কথা কেউ বিশ্বাস করে না: পাকিস্তান সেনাবাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি আধিপত্য ডুবছে হরমুজেই!

অবশেষে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা, শেষ মমতার দীর্ঘ শাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬
  • ১৫ টাইম ভিউ
অবশেষে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা, শেষ মমতার দীর্ঘ শাসন

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার বর্তমান মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়েছেন বাংলার রাজ্যপাল আরএন রবি। এতে করে ৭১ বছর বয়সী মমতা ব্যানার্জির মুখ্যমন্ত্রীর মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে। এতে করে মমতার দীর্ঘ ১৫ বছরের অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। ২০১১ সালে তিনি প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হন। এরপর টানা তিনবার এ দায়িত্ব পালন করেছেন।গত ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে দুইশরও বেশি আসনে জয় পায় বিজেপি। এরফলে রাজ্যটিতে প্রথমবারের মতো সরকার গঠনের সুযোগ পায় হিন্দুত্ববাদী দলটি।

তবে প্রথা অনুযায়ী সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি রাজভবনে গিয়ে পদত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানান। এতে করে সেখানে সাংবিধানিক সংকট তৈরির শঙ্কা তৈরি হয়। তবে এর আগেই আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজ্যপাল মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়েছেন। এখন নতুন মন্ত্রিসভা নির্বাচিত হবে এবং নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে অন্য কাউকে নির্বাচন করা হবে।

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৪ জন; আর সহিংসতায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে এ পর্যন্ত কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪৩৩ জনকে। গতকাল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের মহাপরিচালক (ডিজিপি) সিদ্ধনাথ গুপ্ত।সংবাদ বিশ্লেষণসংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, “পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় এ পর্যন্ত ৪ জন নিহত হয়েছেন। রাজ্যজুড়ে ২ শতাধিক মামলা হয়েছে এবং এসব মামলার আসামি হিসেবে এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪৩৩ জনকে। আসামিদের গ্রেপ্তারে আমাদের তৎপরতা অব্যাহত আছে।”

গত ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয় পশ্চিমবঙ্গে, ৪ মে সোমবার ভোটের ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। সেই দিন, অর্থাৎ সোমবার রাত থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসতে শুরু করে সহিংসতার খবর।

ভোটের ফল প্রকাশের পর রাত থেকেই কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর শুরু করে বিজেপি সমর্থকরা, হামলা শুরু হয় তৃণমূল কর্মীদের ওপরও। আবার রাজ্যের অনেক এলাকায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের ওপরও চড়াও হয়েছে তৃণমূল। সেই উত্তেজনার রেশ এখনও চলছে।

এ পর্যন্ত যারা নিহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি— উভয় দলের সমর্থকরা আছেন। সহিংসতার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি উভেয়েই পরস্পরকে দোষারোপ করছে। গতকাল আততায়ীর হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সচিব চন্দ্রনাথ রথ। চন্দ্রনাথ নিহত হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির নেতারা বলছেন, তৃণমূল ‘পলিকল্পিত গুপ্তহত্যা’ চালাচ্ছে।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ সহিংসতার জন্য দায়ী বিজেপি সমর্থিত দুষ্কৃতিকারীরা।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর