সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডার্ক ওয়েবে ‘৬০ লাখ’ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির বিজ্ঞাপন মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে নতুন সিন্ডিকেটের শঙ্কা জামায়াত-এনসিপির আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন দুদকের প্রথম মামলা, পদ্মা ব্যাংকের এমডিসহ ১০ জন আসামি ভারত-চীন সীমান্ত আলোচনার জন্য চীন সফরে যাচ্ছেন অজিত দোভাল আদিতমারী উপজেলার ফলিমারীর শিশু নন্দিনী হত্যা মামলার প্রধান আসামি, ঘাতক বিধানের মৃত্যুদন্ডের রায় প্রকাশ। পরীমণির গাড়ি বিতর্ক: ‘মাসরুর’ নামের বিভ্রান্তির মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া কাঁঠাল ও কাঁঠালের বিচির উপকারিতা হাওরের ‘নিরালা’ হয়ে পর্দায় আসছেন রুনা খান বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ১০ বছর যেন ২০ বছরে পরিণত না হয়: শামা ওবায়েদ জাহ্নবীর আপত্তিকর কনটেন্ট: ৫৫২ লিংক সরানোর নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

আন্দোলনকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিল পাস

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯০ টাইম ভিউ
আন্দোলনকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিল পাস

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন-২০২৬  বিল পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১১তম দিনের কার্যক্রমে কণ্ঠভোটে এ বিল পাস হয়। এদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ বিল উত্থাপন করেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। এ বিলে বলা হয়েছে, বিলটি ২০২৬ সালের ২৫ জানুয়ারি কার্যকর হয়েছে বলিয়া গণ্য হবে এবং ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে বলবৎ হয়েছে বলে গণ্য হবে।

বিলের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোনো কিছু না থাকিলে, এ আইনে—

(ক) “গণঅভ্যুত্থানকারী” অর্থ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তি;

(খ) ‘কমিশন’ অর্থ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন;

(গ) ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ অর্থ ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে ছাত্রজনতার সম্মিলিত আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থান;

(ঘ) “বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার” অর্থ রাজনৈতিক প্রতিরোধের পরিবর্তে সংকীর্ণ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড;

(ঙ) ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’ অর্থ ফ্যাসিস্ট শাসকের পতন ঘটানোর মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের উদ্দেশ্যে সংঘটিত কার্যাবলি।

এ আইনে আরও বলা হয়েছে, আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এ আইনের বিধানাবলি প্রাধান্য পাবে। এছাড়া মামলা প্রত্যাহার ও নতুন মামলা দায়ের বারিত বলে গণ্য হইবে। (১) জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের কারণে গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সব দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা উপ-ধারা (২) এর বিধান অনুসরণপূর্বক প্রত্যাহার করা হবে এবং ধারা ৫ এর বিধান সাপেক্ষে, এতদসম্পর্কিত নতুন কোনো দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের আইনত বারিত হবে।

এই বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিতে বলা হয়- বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে ফ্যাসিস্ট শাসকের পতন ঘটানোর মাধ্যমে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সর্বাত্মক গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করে, যা পরবর্তীকালে জুলাই গণঅভ্যুত্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন ফ্যাসিবাদী সরকারের নির্দেশে পরিচালিত নির্বিচার হত্যাকাণ্ড ও সশস্ত্র আক্রমণ প্রতিরোধ এবং জনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার ও নিশ্চিত করিবার নিমিত্ত আত্মরক্ষাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে উক্ত প্রতিরোধকর্ম এবং জনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার ও নিশ্চিত করিবার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী গণঅভ্যুত্থানকারীদের গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৬ অনুযায়ী সুরক্ষা প্রদান করা প্রয়োজন মর্মে প্রতীয়মান হয়।

সুতরাং জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন অংশগ্রহণকারী গণঅভ্যুত্থানকারীদের সুরক্ষার জন্য এ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) বিল, ২০২৬’ প্রণয়ন করা প্রয়োজন। এ প্রেক্ষিতে বর্ণিত অধ্যাদেশটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে অনুমোদনের জন্য বিল আকারে উপস্থাপন করা প্রয়োজন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর