ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সদস্য সচিব সাজ্জাদুল মিরাজ শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি একজন মানবিক, সংগ্রামী ও আদর্শবান সংগঠক হিসেবে পরিচিত। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানে তার সাহসী ও নেতৃত্বপূর্ণ ভূমিকা বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে। আন্দোলনের ময়দানে তিনি নেতাকর্মীদের মনোবল বাড়িয়েছেন, কৌশলগত দিকনির্দেশনা দিয়েছেন এবং সামনের সারিতে থেকে লড়াই পরিচালনা করেছেন। বিএনপির দুর্দিনে, যখন দমন-পীড়ন, মামলা-হামলা ও গ্রেপ্তারের ভয়ে অনেকেই পিছিয়ে যান, তখনও সাজ্জাদুল মিরাজ দৃঢ়ভাবে ময়দানে থেকেছেন।
দলীয় সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারী আমলে তিনি বহুবার গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হয়েছেন। কারাগারের অমানবিক পরিস্থিতি সহ্য করেও তিনি দলের আদর্শ ও নেতৃত্বের প্রতি অটল থেকেছেন। তার এই অবিচল মনোভাব তৃণমূল নেতাকর্মীদের অনুপ্রাণিত করেছে।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সাজ্জাদুল মিরাজ মানবিক কাজেও সমানভাবে পরিচিত। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, দুঃস্থদের আর্থিক সহায়তা প্রদান, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা এবং অসুস্থদের চিকিৎসা সহায়তায় তিনি সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তার এই সামাজিক কাজের জন্য তিনি এলাকায় জনপ্রিয়তা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন।
তৃণমূল নেতাকর্মীরা জানান, একজন সত্যিকারের নেতার মতো তিনি সকলের সুখ-দুঃখে পাশে থাকেন এবং দলের স্বার্থে ব্যক্তিগত ত্যাগ স্বীকার করতে কখনও দ্বিধা করেন না। তার নেতৃত্বগুণ ও নিবেদন যুবদলের রাজনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে তারা আশা করছেন।
সাজ্জাদুল মিরাজের বক্তব্য:
“রাজনীতি আমার কাছে কোনো ব্যক্তিগত লাভের বিষয় নয়, এটি আমার কাছে মানুষের সেবা ও দেশের কল্যাণের অঙ্গীকার। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার চেতনা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গণতন্ত্রের সংগ্রাম এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনা—এই তিনটি আমার রাজনৈতিক জীবনের প্রেরণা। জেল, জুলুম, নির্যাতন আমাকে ভয় দেখাতে পারবে না। আমি শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই চালিয়ে যাব।”