আধা ঘণ্টার সংবাদ সম্মেলনে বেশির ভাগ আলোচনা হলো মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন আর তাসকিন আহমেদকে নিয়ে। পেস বোলিং অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিন কেন বিশ্বকাপ দলে নেই, চোটে পড়া তাসকিন বিশ্বকাপ দলে থাকলেও খেলতে পারবেন তো? এমন প্রশ্নের সঙ্গে ছিল, যেখানে তাসকিনের বিশ্বকাপে খেলা অনিশ্চিত, সেখানে তাকে সহ-অধিনায়ক করার কারণই বা কী?
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে গত ১০ মে চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে ফিল্ডিং করার সময় চোটে পড়েন তাসকিন। সে চোট নিয়ে বিশ্বকাপ দলে থাকলেও এখনো নিশ্চিত নয় তাসকিন কোনো ম্যাচ খেলতে পারবেন কি না। তবু তাকে ১৫ সদস্যের বিশ্বকাপ দলে রাখা হয়েছে।
কারণ ব্যাখ্যায় প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন বলেন, ‘যা তথ্য (চোট নিয়ে) আছে, সে ক্ষেত্রে হয়তো তিনি বিশ্বকাপ চলার কোনো একটা পর্যায়ে সুস্থ হয়ে যাবেন। এ জন্য তাকে দলভুক্ত করা হয়েছে। আর আইসিসির পলিসি সম্পর্কে আপনারা হয়তো ওয়াকিবহাল আছেন, যেকোনো চোটে পড়া খেলোয়াড়কে ক্যারি করলে হয়তো পরে রিকভারি না হলে তখনো তাকে আপনি বদলাতে পারবেন।’
খেলা নিয়ে এমন অনিশ্চয়তার মধ্যেও তাসকিনকে সহ-অধিনায়ক ঘোষণা করা হয়।
এই সিদ্ধান্ত নির্বাচকদের নয়, বরং ক্রিকেট বোর্ড নিয়েছে বলে জানান গাজী আশরাফ, ‘এটা একটা গ্লোবাল টুর্নামেন্ট। এটা বিসিবির সিদ্ধান্ত, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড থেকে আমাদের অবহিত করা হয়েছে, তারা সহ-অধিনায়ক হিসেবে তাসকিন আহমেদকে নির্বাচিত করেছে।’
এর পক্ষে অবশ্য যুক্তিও খুঁজে পেয়েছেন গাজী আশরাফ, ‘অবশ্যই তাসমিন একটি জেনারেশনের উদীয়মান একজন খেলোয়াড়। একটা বিভাগে লিড করছে এবং দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলের হয়ে খেলছে বিভিন্ন ফরম্যাটে।
সে জন্য হয়তো তাকে ডিজার্ভিং ক্যান্ডিডেট মনে করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড, সে কারণেই তাকে নির্বাচন করা হয়েছে।’
বাংলাদেশ দল : নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, লিটন দাস, তানজিদ হাসান তামিম, তাওহিদ হৃদয়, মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদ, জাকের আলী অনিক, সৌম্য সরকার, শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিব ও তানভীর ইসলাম।
ট্রেভেলিং রিজার্ভ : হাসান মাহমুদ ও আফিফ হোসেন ধ্রুব।