শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চলমান তাপপ্রবাহে বাড়ছে হিট স্ট্রোকের শঙ্কা শিশু রামিসাকে হত্যা : মামলার ১৯ দিনের মাথায় রায় হচ্ছে ৭ জুন মুখ খোলো মমতা জানতে চায় জনতা’ স্লোগানে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পেটানোর অভিযোগ, ওসিসহ পাঁচ পুলিশ প্রত্যাহার নিম্ন আয়ের মানুষের বিদ্যুতের খরচ বাড়ছে না সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হবে ১০১ শয্যার আইভীর মুক্তির পর বাড়ির সামনে বাড়তি নিরাপত্তা ও পুলিশি নজরদারি ইসরায়েলকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরানো সম্ভব : আইআরজিসি কমান্ডার চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিন উপজেলায় বজ্রপাতে নারীসহ ৬ জনের মৃত্যু ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে মমতার বিরুদ্ধে মামলা

জালেম ও জুলুম সম্পর্কে ইসলাম কী বলে?

মোঃ আসিফ
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১ জুন, ২০২৪
  • ৮৮ টাইম ভিউ

জুলুম অর্থ অত্যাচার হলেও এর অর্থ ইসলামে ব্যাপক। সাধারণত কারও ওপর অন্যায় আচরণ করা, কারও হক নষ্ট করাকে জুলুম বলা হয়। ব্যাপক অর্থে জুলুম মানে হলো কোনো জিনিসকে এমন জায়গায় রাখা যেখানে তা থাকার কথা ছিল না।

যে ব্যক্তি জুলুম করে তাকে জালেম বলা হয়। আল্লাহ তা‘আলা জালেমদের ব্যাপারে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘জালিমদের কোনো বন্ধু নেই এবং সুপারিশকারীও নেই, যার সুপারিশ গ্রাহ্য হবে।’ (সুরা মুমিন: ১৮)

জুলুমকে আল্লাহ তা‘আলা নিজের জন্য হারাম করে নিয়েছেন মর্মে হাদিসে কুদসিতে নবীজি ঘোষণা করেন, আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘হে আমার বান্দারা! আমি আমার নিজের জন্যে জুলুম করা হারাম করে নিয়েছি এবং তোমাদের পরস্পরের মধ্যেও জুলুম হারাম করেছি। সুতরাং তোমরা একজন অন্যজনের উপর জুলুম করো না।’ (মুসলিম, তিরমিজি)
জালেমরা এত জুলুম করেও কেন পার পেয়ে যায়, সে ব্যাপারে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তুমি কখনও মনে করো না যে, জালিমরা যা করছে সে বিষয়ে মহান আল্লাহ উদাসীন। আসলে তিনি সেদিন পর্যন্ত তাদের অবকাশ দেন, যেদিন সব চক্ষু স্থির হয়ে যাবে। ভীত-বিহ্বল চিত্তে আকাশের দিকে চেয়ে তারা ছুটাছুটি করবে, আতঙ্কে তাদের নিজেদের দিকেও ফিরবে না এবং তাদের অন্তর হবে (ভয়ানক) উদাস।
জালেমদের শাস্তির ব্যাপারে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আমি জালিমদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছি অগ্নি, যার বেষ্টনী তাদের পরিবেষ্টন করে রাখবে, তারা পানীয় চাইলে তাদের দেয়া হবে গলিত ধাতুর মতো পানীয়, যা তাদের মুখমণ্ডল দগ্ধ করবে, এটি কত নিকৃষ্ট পানীয়, জাহান্নাম কতই না নিকৃষ্ট আশ্রয়।’ (সুরা কাহফ ২৯)
‘তাদের সতর্ক করে দাও আসন্ন দিন (কেয়ামত) সম্পর্কে যখন দুঃখকষ্টে তাদের প্রাণ কণ্ঠাগত হবে। জালিমদের জন্য কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধু নেই এবং যার সুপারিশ গ্রাহ্য হবে এমন কোনো সুপারিশকারীও নেই।’ (সুরা মুমিন ১৮)

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর