সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সরকারের প্রধান লক্ষ্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি: আমিনুল হক তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির প্রস্তাব বাংলাদেশের ফ্যাসিস্টরা যা করেছে, হুবহু তার ফটোকপি দেখতে পাচ্ছি : জামায়াত আমির বেনজীরকে ফিরিয়ে আনতে সরকার জোরালো চেষ্টা চালাচ্ছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গণতন্ত্র যদি চলে, তবে বাকি কাজগুলো হয়ে যায়: মির্জা ফখরুল নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার আহ্বান অর্থ উপদেষ্টার বেনজীরের জামিন বাতিলে দুবাইয়ে ল ফার্ম নিয়োগ করেছে সরকার কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দিল সরকার জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছে ২৮৫ কোটি ডলার

তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
  • ১১ টাইম ভিউ
তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী
ছবি-সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমান বলেছেন, “তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। তাদের গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও স্টার্টআপ উদ্যোগে সরকার সবসময় পাশে থাকবে।”
পাশাপাশি সেমিকন্ডাক্টর, ফার্মাসিউটিক্যালস, ফার্নিচার ও কসমেটিকসের মতো নতুন রফতানি খাত গড়ে তুলে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

রোববার বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন আন্ডার ওয়াটার রোবোটিক ড্রোন নির্মাণ প্রতিযোগি দলের সদস্যরা সাক্ষাতে এসব কথা বলেন তিনি।

এসময়, প্রধানমন্ত্রী তাদেরকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের এত বড় সাফল্য অর্জনের জন্য অভিনন্দন জানান। একইসাথে তাদের ভবিষ্যৎ গবেষণা, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও উদ্ভাবনী উদ্যোগে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। বৈঠকে এমআইএসটির শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়া তাদের উদ্ভাবিত আন্ডারওয়াটার রোবটটি প্রধানমন্ত্রীর সামনে প্রদর্শন করেন।

প্রধানমন্ত্রী রোবটটির নকশা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও ব্যবহারিক দিক সম্পর্কে খুঁটিনাটি জানতে চান এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলেন। তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের জন্য গৌরব বয়ে আনার জন্য দলটির সদস্যদের অভিনন্দন জানান এবং বলেন, এই ধরনের উদ্ভাবন দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোবটটির আরও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, বাণিজ্যিকীকরণ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভবিষ্যৎ অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে।
এমআইএসটির (উদ্ভাবকদের) তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কেও জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। তারা পড়াশোনা শেষে প্রযুক্তি খাতেই কাজ করতে এবং নিজেদের উদ্যোগে নতুন কিছু করতে আগ্রহী বলে জানান।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা যদি প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপ গড়ে তুলতে চান তাহলে সরকারের স্টার্টআপ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী তরুণদের উদ্দেশে বলেন, বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিতে হলে উদ্ভাবক, গবেষক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে এবং সরকার তাদের পাশে থাকবে। বলেন, তৈরি পোশাক শিল্প দেশের প্রধান রফতানি খাত হলেও এর পাশাপাশি সেমিকন্ডাক্টর, ফার্মাসিউটিক্যালস, ফার্নিচার ও কসমেটিকসসহ নতুন সম্ভাবনাময় শিল্পকে শক্তিশালী করে বহুমুখী রফতানি অর্থনীতি গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ও দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি সেমিকন্ডাক্টর বিশেষজ্ঞদেরও দেশে এসে এই খাতের বিকাশে অবদান রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি খাতে সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করলে বাংলাদেশ আরও দ্রুত এগিয়ে যাবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর