ড্রেসিংরুমের বারান্দায় রিচি বেরিংটন হাত মেলালেন জস বাটলারের সঙ্গে। এরপর দুই দলের বাকি ক্রিকেটাররাও সৌহার্দ্য বিনিময় করলেন। বৃষ্টিতে পণ্ড হয়ে গেল ইংল্যান্ড-স্কটল্যান্ডের ম্যাচ। এতে ১-১ পয়েন্ট ভাগাভাগিতে সন্তুষ্ট থাকতে হলো দুই দলকে।
এই ১ পয়েন্ট স্কটল্যান্ডের ক্রিকেটারদের মুখে হাসি ফোটাতে পারেনি। ম্যাচ শেষে স্কটিশ অধিনায়ক বলেছেন, ‘আমার মনে হয়, ছেলেরা সবাই হতাশাগ্রস্ত।’
বার্বাডোজে কয়েকবার বৃষ্টিতে বাধার মুখে পড়া ম্যাচে বিনা উইকেটে ১০ ওভারে ৯০ রান তোলে স্কটল্যান্ড। বৃষ্টি আইনে ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১০ ওভারে ১০৯ রানের।
যেভাবে স্কটিশ দুই ওপেনার মাইকেল জোনস (৪৫*) ও জর্জ মুনসে (৪১*) ছড়ি ঘোরান ইংল্যান্ডের বোলারদের ওপর, তাতে কিছুটা হলেও ভীতি ছড়ায় ইংলিশ শিবিরে। স্কটল্যান্ডের ইনিংসের পর আবার শুরু হয় বৃষ্টি। এরপর ম্যাচ অফিশিয়ালরা পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন।
আরেক ম্যাচে পরিসংখ্যানে দুই দলের অবস্থান কাছাকাছি।
টি-টোয়েন্টিতে আগের ১২ দেখায় নেদারল্যান্ডসের ছয় জয়, পাঁচটি জিতেছে নেপাল। তবে বিশ্বকাপে গতকালই প্রথম দেখা তাদের। ডালাসে ছয় উইকেটে জয় পেয়েছে ডাচরা। ১০ বছর পর নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ খেলতে নামা নেপাল টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ১৫ রানে দুই ওপেনারকে হারায়। তৃতীয় উইকেটে অনিল শাহ (১১) ও অধিনায়ক রোহিত পোড়েলের (৩৫) ২৫ রানের জুটি ভাঙলে নিয়মিত উইকেট হারিয়ে ১০৬ রানে অলআউট হয় নেপাল।
লোগান ফন বিক ও টিম প্রিঙ্গল তিনটি করে উইকেট নেন।
রান তাড়ায় দ্বিতীয় ওভারে ওপেনার মিশেল লেভিট আউট হলে দেখেশুনে খেলেন নেদারল্যান্ডসের পরের ব্যাটাররা। ম্যাক্স ও’ডউড (৫৪*), বিক্রম সিং (২২), সাইব্রান্ড এনগেলব্রেখট (১৪) ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাট করেন। তবে বেগ পেতে হয়নি ডাচদের। আট বল হাতে রেখে পাওয়া জয়ে বিশ্বকাপযাত্রা শুরু করে নেদারল্যান্ডস। গতকাল দিনের প্রথম ম্যাচে উগান্ডার বিপক্ষে ১২৫ রানের বড় জয় পায় আফগানিস্তান। আফগানদের দেওয়া ১৮৫ রানের পাহাড় ডিঙাতে নেমে ফজল হকের পাঁচ উইকেটে মাত্র ৫৮ রানে গুটিয়ে যায় প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা আফ্রিকার নবাগত দেশটি।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ১৫৪ রানের ওপেনিং জুটি গড়েন রহমানউল্লাহ গুরবাজ (৭৬) ও ইব্রাহিম জাদরান (৭০)। এই জুটি ভাঙলে আফগানদের টুঁটি চেপে ধরে উগান্ডা। শেষ ৩৩ বল থেকে মাত্র ২৯ রান নিতে পারে আফগানিস্তান। রান তাড়ায় নামা উগান্ডার ইনিংসে প্রথম ওভারে জোড়া উইকেট তুলে নিয়ে প্রতিপক্ষের কাজটা দুরূহ করে দেন ফজল হক। সে ধাক্কা আর সামলাতে পারেনি উগান্ডা। ৫৮ রানে গুটিয়ে যায় তারা। দুবার হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগানো ফজল হক ৯ রানে পাঁচ উইকেট নেন।