শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২০ এপ্রিল থেকে হামের টিকাদান শুরু, টিকার ঘাটতি নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনায় আরও বাড়ল স্বর্ণের দাম পাকিস্তানে গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৮ জন নি‍‍হত ওয়াশিংটন ও তেহরান একসঙ্গে ধীরেসুস্থে সেই ইউরেনিয়াম উদ্ধার করবে : ট্রাম্প শনিবার ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় এক বছরে সাগর পথে ৯০০ রোহিঙ্গা মৃত বা নিখোঁজ: ইউএনএইচসিআর রাত ১টার মধ্যে যেসব জেলায় শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ের শঙ্কা হরমুজ প্রণালি খোলার ঘোষণায় বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন শনিবার সংবাদ সম্মেলন করবেন প্রধানমন্ত্রী কম্পপুরে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সম্মাননা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে

বন্ধ দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৫ টাইম ভিউ
বন্ধ দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের (ক্রুড অয়েল) তীব্র সংকটের কারণে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেড (ইআরএল) বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে ইস্টার্ন রিফাইনারিতে শেষ পরিশোধন কার্যক্রম হয়েছিল বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির দুজন কর্মকর্তা।

ইআরএল কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, সংকটের মধ্যে কক্সবাজারের মহেশখালীর সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিংয়ের (এসপিএম) পাইপলাইনে জমে থাকা ৫ হাজার টন এবং অপরিশোধিত তেলের চারটি ট্যাংকের ডেড স্টক (মজুত ট্যাংকের তলানিতে জমে থাকা অপরিশোধিত তেল) তুলেও পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছিল।

কর্মকর্তারা আরও জানান, ইআরএল সাধারণত দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করে থাকে। তবে, ক্রুড সংকটের কারণে গত মাস থেকেই পরিশোধন কমিয়ে দৈনিক ৩ হাজার ৫০০ টন করা হয়েছিল। গত ৪ মার্চ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির কাছে ব্যবহারযোগ্য তেলের মজুত ২ হাজার টনের নিচে নেমে এসেছে। এভাবে পাম্প চালানো যন্ত্রপাতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং শোধনাগারের ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে পরিশোধন কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

ইআরএলের মহাব্যবস্থাপক (ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কন্ট্রোল) তাজুল ইসলাম বলেন, ক্রুড সংকট ও সিংক্রোনাইজেশনের কারণে আগামী এক সপ্তাহের জন্য রিফাইনারির কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। আশা করছি, ক্রুডের চালান পৌঁছালে কারখানা আবার পুরোদমে চালু হবে।

তিনি আরও জানান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চলমান উত্তেজনার কারণে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেলের সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় পূর্বনির্ধারিত কয়েকটি চালান বাতিল করতে হয়েছে। এই দীর্ঘ বিরতির ফলে শোধনাগারের মজুত প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছে যায়। গত কয়েকদিন ধরে পাইপলাইন ও ট্যাংকের নিচে জমে থাকা ‘ডেড স্টক’ ব্যবহার করে উৎপাদন সচল রাখা হয়েছিল।

বিপিসির তথ্যমতে, দেশে প্রতি বছর ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। এর মধ্যে ডিজেল ও অপরিশোধিত তেলের পরিমাণ বেশি। প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে, যা ইআরএলে পরিশোধন করা হয়।

প্রসঙ্গত, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট সংকটে প্রায় দুই মাস ধরে অপরিশোধিত তেল আমদানি বন্ধ রয়েছে। আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহে পরবর্তী আমদানি চালান দেশে আসার কথা রয়েছে। সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে ইআরএল কর্তৃপক্ষকে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর