মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নিউমার্কেটসহ ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-ফুটপাত হকারমুক্ত হবে : সেতুমন্ত্রী মানবপাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স সরকারের : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ঘিরে সমালোচনা, ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর সাংবাদিকদের নিয়ে আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আলটিমেটাম ডিআরইউয়ের মিষ্টির শূন্য আসনে এলিজা জামানকে মনোনয়ন দিল বিএনপি কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে, নিহত ১ শয়তানকে তুচ্ছজ্ঞান করুন: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা দুই বছরের মধ্যে জেলায় জেলায় বসবে রেডিওথেরাপি মেশিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন নিয়ে এলো বড় সুখবর আঞ্চলিক নিরাপত্তার আলোচনায় সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান

বিএনপির আন্দোলনে লাখ লাখ মানুষের সমাগম দেখে ওবায়দুল কাদের বিভ্রান্তিতে ভোগে : রিজভী

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৩
  • ২১৮ টাইম ভিউ

অনলাইন ডেক্স : বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আন্দোলনে লোকসমাগম দেখে আওয়ামী লীগ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এ জন্যই নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

আজ শনিবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে লেকশোর হোটেলে ‘সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের সংগ্রাম ও সাংবাদিকতা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, বিএনপির কোনো কর্মসূচি হলেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করা হয়। গত এক বছরে আমাদের ২০ জন নেতাকর্মীকে তারা হত্যা করেছে। কেউ চোখ হারাচ্ছেন, পা হারাচ্ছেন, শরীর দগ্ধ হচ্ছে। তারপরও তারা দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, বাধা উপেক্ষা করে বিএনপির আন্দোলনে লাখ লাখ মানুষের সমাগম দেখে ওবায়দুল কাদের বিভ্রান্তিতে ভোগেন। আমি আগেও বলেছি ওবায়দুল কাদের শারীরিক ও মানসিক- দুদিক দিয়েই অসুস্থ। তিনি বিভ্রান্ত। নিজেই জানেন না কখন কী বলেন। তার উচিত বিশ্রাম নেওয়া। ওবায়দুল কাদের নিজের কথাই ভুলে যান। তিনি ডিমেনশিয়া রোগে ভোগেন। কিছুদিন আগে তিনি বলেছেন, বিএনপির আন্দোলনের বারোটা বেজে গেছে। আবার তিনিই নেতাকর্মীদের বলেন, তোমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হও, বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে কেউ দেশে টিকে থাকতে পারবে না। বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশে এক লাখ লোক মারা যাবে। যদি বিএনপির আন্দোলনের বারোটা বেজেই যায় তাহলে এত শঙ্কা কেন? এখনও সময় আছে, দ্রুত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন বাস্তবায়ন করুন। এটি কোনো রাজনৈতিক দলের দাবি নয়, এটি জনগণের দাবি।

রিজভী আরও বলেন, বাংলাদেশ থেকে নীতি-নৈতিকতা, সত্য কথা, সত্যবাদিতা সব উঠে গেছে। বাংলাদেশ গুম, খুন, অপহরণের রাজ্যে পরিণত হয়েছে। যে সত্য কথা বলে তাকেই ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নেই, সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নেই। দেশে সত্য বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করায় আজ মাহমুদুর রহমানের মতো মানুষের সাজা পেতে হচ্ছে। শেখ হাসিনার আদালতে এসব সত্যের সাজা হচ্ছে। এটি স্পষ্ট প্রহসন।

গোলটেবিল আলোচনায় আরও উপস্থিত ছিলেন দৈনিক আমার দেশের নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্সের মহাসচিব প্রকৌশলী হাছিন আহমেদ ও সভাপতি প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু প্রমুখ।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর