ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়ার বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল জানিয়েছেন, এই আয়োজনটি একটি বেসরকারি গণমাধ্যম সংস্থার। এতে কেন্দ্রীয় সরকারের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।
রণধীর জয়সোয়াল বলেন, শেখ হাসিনার বক্তব্যসংক্রান্ত অনুষ্ঠানটি একটি বেসরকারি মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে হচ্ছে। এর সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই এবং ওই অনুষ্ঠানে প্রকাশিত কোনো বক্তব্যের দায় বা সমর্থনও সরকার বহন করে না।
এদিকে, সকালে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো গণমাধ্যম যেন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে, সে আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। আদালতের আদেশ অমান্য করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।তিনি বলেন, বিদেশে অবস্থানরত শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট কোনো বক্তব্য দিলে সেটি গণমাধ্যম বা অন্য কোনো মাধ্যমে প্রচার করা হলে তা আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘনের শামিল হবে। এ ধরনের ঘটনা ঘটলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, কালকে করবে, এইটা যদি কেউ আগাম জানায় এবং সেটা পাবলিশ করে, এটা অবশ্যই আদালতের রায় লঙ্ঘন করা হবে। আমরা এই ব্যাপারে ব্যবস্থা নেব।
তিনি বলেন, আমরা আগেরবার একটা সতর্কতা দিয়েছিলাম। এবার আবার স্মরণ করিয়ে দেব যে, এই কাজ কেউ যেন না করেন, এটা থেকে বিরত থাকেন। কারণ এটা আদালতের নির্দেশ আছে।
জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার নিজে আদালত নয়; বরং আদালতের দেওয়া আদেশ বাস্তবায়নের দায়িত্ব সরকারের। কেউ যদি মনে করেন, শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে বাধা দেওয়া উচিত নয়, তাহলে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হতে পারেন এবং আদালতের আদেশকে আইনগতভাবে চ্যালেঞ্জ করতে পারেন।