রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাথী দাসের বিরুদ্ধে ঝাড়ু ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি’র নেতৃবৃন্দরা। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে গোয়ালন্দ উপজেলা ছাত্রদলের নেতৃত্বে এ ঝাড়ু ও বিক্ষোভ মিছিল হয়। মিছিলটি উপজেলার গোয়ালন্দ বাসস্ট্যান্ড হতে শুরু হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় পর্যন্ত এসে সেখানে ঘন্টা ব্যাপী বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন।
স্লোগান শেষে বক্তব্য রাখেন গোয়ালন্দ পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি জিয়াউল হুদা উজ্জ্বল, সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান লাল্টু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম মৃধা মুক্তার, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য মেহেদী নাছিম লিমন, মোঃ সুমন প্রামাণিক, জিয়া সাইবার ফোর্স গোয়ালন্দ পৌর শাখার সদস্য সচিব মোঃ মমিনুল ইসলাম প্রমুখ।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গোয়ালন্দ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল হাসান মিঠু, পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মুক্তার মাহমুদ, জসিম সহ অন্যান্য ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।
বক্তব্যে বক্তারা বিদায়ী ইউএনও সাথী দাসের উদ্দেশ্যে অভিযোগ করে বলেন, সাথী দাস ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের দোসর। তিনি অবৈধ ভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমকে সফল করতে জরিপ কাজে নিয়োগ প্রার্থীদের মনোনয়ন পরীক্ষায় পক্ষপাতিত্ব করেছেন। তিনি আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত সকলকে নিয়োগ পরীক্ষায় নির্বাচিত করেছেন। তিনি গত মাসের ২৮ তারিখে একদিনেই ৮০০ শিক্ষার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা নিয়েছেন এবং তার মন গড়া প্রার্থী অর্থাৎ আওয়ামী লীগের দোসরদের পরীক্ষায় টিকিয়েছেন। তারা বক্তব্য অবিলম্বে নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেয়ার আল্টিমেটাম দেন। আল্টিমেটামে তারা বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ফলাফল স্থগিত করে পুনরায় পরীক্ষা না দিলে আগামীতে কঠোর আন্দোলনে যাবেন তারা। ঝাড়ু মিছিলে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে এজন্য গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
এ ব্যাপারে গোয়ালন্দ ঘাট থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ সফিকুল ইসলাম বলেন, গোয়ালন্দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ সর্বদা সজাগ দৃষ্টি রাখতে বদ্ধপরিকর। এদিনের মিছিলের বিষয়ে তিনি ভালো ভাবে জানেন না বলে অবগত করেন।