বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা আ.লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই: জামায়াত আমির শ্যালিকাকে বিয়ে, মুখে চুনকালি মাখিয়ে যুবক ও তার দুই স্ত্রীকে এলাকাছাড়া করল গ্রামবাসী মোবাইলে যেভাবে দেখবেন এইচএসসির ফলাফল ইমরান খানের ‘ভারত ছাড়ার নির্দেশ’ স্থগিত করলেন আদালত চলে গেলেন ‘সিআইডি’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা বিপি সিং চাকরির প্রলোভনে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিককে রুশ বাহিনীতে নিয়োগ ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাউজানে অস্ত্রের মুখে নারীর ২৫ লাখ টাকা ছিনতাই! যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক নিহত

প্রস্রাব চেপে রাখার ফলে ক্ষতি হতে পারে মূত্রথলির

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১৬৫ টাইম ভিউ

লাইফস্টাইল ডেস্ক : প্রস্রাব চেপে রাখার ফলে শরীরে নানান প্রভাব পড়তে পারে। ক্ষতি হতে পারে মূত্রথলির। চিকিৎসাবিজ্ঞানের তথ্যানুসারে স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের

মূত্রথলি আধা লিটার পরিমাণ মূত্র ধারণ করতে পারে। আর মূত্রথলিতে আধা লিটার তরল জমার পরই আমরা তা খালি করার চাপ অনুভব করি। আমরা যখন প্রসাবের চাপ নিয়ন্ত্রণ করি তখন ‘স্ফিঙ্কটারস’ নামক মাংসপেশি শক্তভাবে বন্ধ হয়ে যায়। যাতে প্রস্রাব অনিচ্ছাকৃতভাবে বের হয়ে না যায়।

এই পেশিগুলো এই কাজের জন্য অত্যন্ত কার্যকর। তবে সপ্তাহে কয়েক বার এই পেশি ব্যবহৃত হতে থাকলে মূত্রথলির মূত্র ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যেতে পারে। বিভিন্ন কারণে সেচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় অনেকেই প্রসাবের চেপে রাখেন। বিশেষ করে দূরপাল্লার যানবাহনের চালকরা।

প্রস্রাব বেশিক্ষণ চেপে রাখা কখনই উচিত নয়। কারণ এতে মূত্রথলির ক্ষতি হতে পারে। তবে বিজ্ঞান বলছে একজন ব্যক্তির মস্তিষ্ক সবচাইতে ভালো কাজ করে তার মূত্রথলি পূর্ণ থাকা অবস্থায়।

সাইকোলজিকাল সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত নেদারল্যান্ডের ‘ইউনিভার্সিটি অফ টোয়েন্টে’র করা এই গবেষণার উদ্দেশ্য ছিল, মানুষ প্রকৃতির ডাক চেপে রাখা অবস্থায় অন্য কাজে মনোযোগ দিতে পারে কি না?

আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি, অংশগ্রহণকারীরা প্রস্রাবের বেগ চেপে রাখা অবস্থায় প্রশ্নের উত্তর সম্পর্কে অস্বস্তি অনুভব করেছে কম এবং আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ প্রদর্শন করেছে তাদের উত্তরের ওপর।

তাই যারা মনে করেন প্রস্রাবের চাপ নিয়ন্ত্রণ করা আত্মনিয়ন্ত্রণ পরীক্ষা করার একটি পরীক্ষা, তাদের ভাবনা সঠিক। পাশাপাশি এটি দেয় শরীরের ওপর মস্তিষ্কের নিয়ন্ত্রণ দেখানোর উপায়।

তার মানে এই নয় প্রস্রাবের চাপ নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। কারণ এই কাজের রয়েছে মারাত্বক ক্ষতিকর দিক।
যেমন-
* প্রস্রাবে ইউরিয়া এবং অ্যামিনো অ্যাসিডের মতো টক্সিক পদার্থ থাকে। বেশিক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখলে এই বিষাক্ত পদার্থগুলো কিডনি অর্থাৎ বৃক্কে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ায়।

* বেশি প্রস্রাব বেশিক্ষণ চেপে রাখলে মূত্রথলিতে জীবাণুর পরিমাণ বাড়তে থাকে। যা থেকে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন, বা মূত্র নালি ও থলি রোগাক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

* প্রস্রাব চেপে রাখার কারণে ব্লাডার বা মূত্রথলি ফুলে যেতে পারে। ফলে প্রস্রাব করার সময়ে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

* বেশিক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখলে কিডনি বা বৃক্কের ওপর চাপ বাড়ে। যা থেকে বৃক্ক নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

* দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব না করার ফলে মূত্রথলির মাংসপেশিগুলো প্রসারিত হতে থাকে। যা থেকে ব্যথা হওয়ার              সম্ভাবনা বাড়ে। ছবি: রয়টার্স।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর