শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ০১:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৮৪ কোটি টাকা ঋণখেলাপি: এস আলমসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ৫ মাসের সাজা পরোয়ানা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব, ভোক্তাদের প্রত্যাখ্যান বায়তুল মোকাররমে ঈদুল আজহার ৫ জামাত, প্রথম জামাত ৭টায় ট্রাম্প-পুতিনের পর এবার চীনে যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানো যাবে না, নির্দেশ মোজতবা খামেনির ঈদের দিন চলবে না মেট্রোরেল চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ: টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করেও অভিযুক্তকে নিয়ে যেতে পারেনি পুলিশ শিশু রামিসা হত্যা :সংক্ষিপ্ত সময়ে দৃষ্টান্তমূলক বিচার সম্পন্ন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামিসার বাসায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাধারণ রেস্তোরাঁ ও ক্ষু’দ্র দোকান থেকেও নেয়া হবে কর : অর্থমন্ত্রী

আবার বাড়ল গুম কমিশনের মেয়াদ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ, ২০২৫
  • ৪৭ টাইম ভিউ

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সংঘঠিত ‘গুমের’ ঘটনা তদন্তে যে কমিশন হয়েছে, সেটির মেয়াদ দেড় মাস বাড়িয়ে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। সোমবার (১৭ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সময় বাড়ানোর এ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের বাড়তি মেয়াদ ১৫ মার্চ থেকে ধরা হবে। এর ফলে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন কমিশন ৩০ জুন পর্যন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় পাবে। পাঁচ সদস্যের এ কমিটির ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল।

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ২৭ অগাস্ট গঠিত এ কমিশন কাজ শুরুর পর থেকে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার একের পর এক অভিযোগ জমা পড়ে। গত ৫ নভেম্বর কমিশন সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছিল, কমিশনে গুমের ১ হাজার ৬০০ অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে তারা ৩৮৩টি অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিক যাচাই করেছেন। এসব অভিযোগের মধ্যে র্যাবের বিরুদ্ধেই ছিল সবচেয়ে বেশি ১৭২টি। অভিযোগের বিষয়ে কমিশন ইতোমধ্যে ১৪০ জনের সাক্ষাৎকার নিয়েছে।

গুম কমিশন গঠনের বিষয়ে প্রথমে গত ২৭ আগস্ট প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। পরে ওই প্রজ্ঞাপন বাতিল করে গত ১৫ সেপ্টেম্বর নতুন প্রজ্ঞাপনে প্রতিবেদন জমা দিতে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

নতুন প্রজ্ঞাপনে কমিশনের উদ্দেশ্য ও দায়িত্বে পরিবর্তন আনে সরকার। তবে পাঁচ সদস্যের কমিশন রাখা হয় আগের মতই। নতুন করে মেয়াদ বাড়ানোর প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কমিশন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, শৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা, তদন্তকারী সংস্থা এবং অনুরূপ যে কোনো বাহিনী বা সংস্থার কোনো সদস্য বা সরকারের মদদে হওয়া গুমের তদন্ত করবে।

এছাড়া এসব বাহিনীর সহায়তায় বা সম্মতিতে কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তি-সমষ্টির মাধ্যমে ‘আয়নাঘর’ বা যেকোনো জ্ঞাত বা অজ্ঞাত স্থানে বলপূর্বক গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধান, বলপূর্বক গুমের ঘটনার সহিত জড়িত ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান চিহ্নিতকরা ও তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করবে। পাশাপাশি বলপূর্বক গুম হওয়ার ঘটনা প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় আইন সংস্কারের সুপারিশ করবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর