সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মানবতাবিরোধী অপরাধ : ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১ জনের যাবজ্জীবন একাত্তরে দেশ চায়নি জামায়াত, ইশতেহারেও ইসলাম নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একাত্তরের ভূমিকার জন্য একবারও ক্ষমা চাইলেন না: জামায়াতকে মির্জা ফখরুল তুরাগ থেকে দুইজনের লাশ : রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ‘দেখছেন না’ ঢাকার এসপি আগামী ৩০ দিন সম্পূর্ণভাবে ইরানের একক নিয়ন্ত্রণে থাকবে হরমুজ প্রণালি: আরাঘচি জুলাইয়ের ‘মাস্টারমাইন্ড’ নিয়ে সংসদে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য কারিগরি ত্রুটি ও কয়লাসংকটে উৎপাদন কমেছে দুই বিদ্যুৎকেন্দ্রের : বিদ্যুৎমন্ত্রী সৌদি আরবে হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে নিহত ১৪ পুলিশে বড় রদবদল, ২১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপরে, নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা

একাত্তরের ভূমিকার জন্য একবারও ক্ষমা চাইলেন না: জামায়াতকে মির্জা ফখরুল

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
  • ১ টাইম ভিউ
একাত্তরের ভূমিকার জন্য একবারও ক্ষমা চাইলেন না: জামায়াতকে মির্জা ফখরুল

জামায়াত ইসলামীকে ১৯৭১ সম্পর্কে নিজেদের অবস্থান জনগণের সামনে পরিষ্কার করতে বলেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম। রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনার বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

এদিন সংসদে বিরোধী দলের দিকে ইঙ্গিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, তারা বিভিন্নভাবে আমাদের ক্ষুব্ধ করার চেষ্টা করেছেন। যেটা এই সময়ে সঠিক নয়। আপনাদের নিজেদের দিকে ফিরে তাকানো দরকার। একাত্তরের ভূমিকার জন্য আপনারা একবারও ক্ষমা চাইলেন না। জাতির সামনে আপনাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত ছিল। উল্টো আপনাদের নেতা গোলাম আযম তখন বলেছিলেন, ‘একাত্তরে আমরা ভুল করিনি’। এখনো সময় আছে ভেবেচিন্তে দেখুন, বাংলাদেশ সম্পর্কে আপনাদের ধারণা পরিষ্কার করুন।

একাত্তরের ভূমিকা স্বীকার করে নিলে আপনাদের (জামায়াত ইসলামী) জন্য রাজনীতি অনেক সহজ হবে বলে উল্লেখ করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।

এসময় তরুণদের দল হিসেবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অনেক ভালো করছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, আমি খুবই দুঃখিত যে তারা এমন একটি দলের সঙ্গে জোট করেছে যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। আমি আশা করবো, তারা তাদের রাজনীতিকে আরও পরিষ্কার করবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, এ দেশের মানুষ বারবার লড়াই-সংগ্রাম করেছে। কখনো ভাষা, কখনো স্বাধীনতা, কখনো গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছে। আমাদের সবচেয়ে দুর্ভাগ্য, স্বাধীনতার ৫০ বছরেও যে জায়গায় আমাদের যাওয়া দরকার, সেখানে যেতে পারিনি। কোথাও একটা সমস্যা আছে। যেই সমস্যা আমাদের নেতৃত্বকে সেই জায়গায় পৌঁছাতে দেয় না। বিগত ১৫ বছর আমরা একটা ভয়াবহ ফ্যাসিজমের অধীনে ছিলাম। একটা জাতি নির্যাতিত-নিপীড়িত হয়েছে, সমস্ত স্বপ্নগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। জুলাই অভ্যুত্থানের পর যখন আমরা নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখি। নির্বাচনের পর আমরা ক্ষমতায় এসে খাদে পড়ে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তুলছি। তারই অংশ এবারের বাজেট।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর