বাংলাদেশের সমাজে কিছু মানুষ আছেন যারা নিঃস্বার্থভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নিজেদের কর্মের মাধ্যমে অমর হয়ে থাকেন—তেমনই একজন হলেন আব্দুল খালেক, যিনি “এ খালেক চ্যারিটি ফাউন্ডেশন”-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। তিনি শুধু একজন সমাজসেবক নন, তিনি একজন মানবতার কর্মযোদ্ধা, যিনি বিশ্বাস করেন— “মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হচ্ছে প্রকৃত সফলতা।”
একজন মানুষের উদ্যোগ, হাজারো মুখে হাসি দীর্ঘদিন ধরে সমাজের দরিদ্র, অসহায়, গরীব, পথশিশু ও বঞ্চিত মানুষের কল্যাণে কাজ করে চলেছেন আব্দুল খালেক। তার প্রতিষ্ঠিত চ্যারিটি ফাউন্ডেশন আজ শুধু একটি সংস্থা নয়, এটি হয়ে উঠেছে বহু অসহায় মানুষের আশার ঠিকানা।
প্রতিদিন শত শত মানুষ এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে পাচ্ছেন খাদ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা, বাসস্থান ও নানান জরুরি সহায়তা।
একজন সাধারণ মানুষ হয়ে তিনি অসাধারণ কাজ করে চলেছেন, যার জন্য সমাজ আজ তাকে “মানবতার প্রতীক” হিসেবে চিহ্নিত করছে।
ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যক্রমগুলো:
১. খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম:
প্রতি মাসে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গরীব, দুঃস্থ ও শ্রমজীবী মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
২. চিকিৎসা সহায়তা:
গরীব রোগীদের জন্য বিনামূল্যে ওষুধ ও চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। মাঝে মাঝে আয়োজন করা হয় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প।
৩. শিক্ষা সহায়তা:
অভাবী শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলব্যাগ, বই, খাতা ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করে ফাউন্ডেশন। অনেককে দেওয়া হয় বৃত্তিও।
৪. পুনর্বাসন প্রকল্প:
ভূমিকম্প, বন্যা, অগ্নিকাণ্ডসহ নানা দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পুনর্বাসন করে নতুন জীবন শুরু করতে সহায়তা করা হয়।
৫. রমজান ও কোরবানির বিশেষ কর্মসূচি:
রমজানে ইফতার বিতরণ, ঈদে নতুন জামাকাপড় এবং কোরবানির মাংস পৌঁছে দেওয়া হয় হাজারো গরীব মানুষের ঘরে।
মানবতার প্রতি আব্দুল খালেকের অঙ্গীকার
আব্দুল খালেক বলেন,
“এই সমাজে যারা কষ্টে আছে, তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমি যতদিন বেঁচে আছি, ততদিন অসহায় মানুষের জন্য কাজ করেই যাবো।”
তার এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং নিরলস প্রচেষ্টা ইতোমধ্যেই অনেক তরুণকে উদ্বুদ্ধ করেছে সমাজসেবামূলক কাজে এগিয়ে আসতে।
মানুষের হৃদয়ে এক জায়গা করে নেওয়া নাম
অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই যখন কারও জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দ হয়ে দাঁড়ায়, তখন সেই মানুষ হয়ে ওঠেন সমাজের বাতিঘর। আব্দুল খালেক ঠিক তেমন একজন মানুষ। কোনো প্রচার নয়, কাজই তার পরিচয়।
তিনি প্রমাণ করেছেন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা বা বড় পদ নয়—ইচ্ছাশক্তি, ভালোবাসা আর দায়বদ্ধতাই পারে সমাজ বদলে দিতে।