বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামে হামলায় জড়িত ছাত্রদল নেতাদের বিচার চায় শিবির চট্টগ্রামের ঘটনায় বিক্ষোভের ডাক ছাত্রদলের হাত ট্রিগারেই আছে, প্রতিরক্ষা বাহিনীও সম্পূর্ণ প্রস্তুত: ইরান সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুমের বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর চলতি বছর মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ : আইএমএফ বিএনপি সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: প্রধানমন্ত্রী চুক্তি না হলে হামলার জন্য পুরোদমে প্রস্তুত মার্কিন বাহিনী: ট্রাম্প জামিন পেলেন দেড় মাসের সন্তানসহ কারাগারে যাওয়া সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী গ্রাফিতিতে ‘গুপ্ত’ লেখা নিয়ে চট্টগ্রামে সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ সরকারি সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত পুরোনো ভাড়াই বহাল

যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যা ঘটনায় আটকৃত এক ব্যক্তির ডিবি হেফাজতে মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২৮ টাইম ভিউ

রাজধানীর পল্লবীতে যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়া হত্যার ঘটনায় আটক মো. মোক্তার হোসেন (৪০) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ–ডিবি–হেফাজতে মারা গেছেন। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) ডিএমপি তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এবং এ নিয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছে।

৪৭ বছর বয়সী কিবরিয়া পল্লবী থানা যুবদলের সদস্যসচিব ছিলেন। পাশাপাশি চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করতেন। সোমবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় মুখোশ পরা তিন সন্ত্রাসী মিরপুর ১২ নম্বরে একটি দোকানে ঢুকে খুব কাছ থেকে তাকে গুলি করে হত্যা করে।

ডিএমপির গণমাধ্যম শাখার উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমানের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হত্যাকাণ্ডের পর কিবরিয়ার স্ত্রী সাবিহা আক্তার পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে পল্লবী থানায় মামলা করেন। অজ্ঞাত আরো ৭-৮ জনকেও মামলায় আসামি করা হয়। তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের স্বার্থে মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়।

এর পর ডিবি বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) শরীয়তপুর জেলায় অভিযান চালিয়ে নজরুল, মাসুম ও জামান নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তারা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং জানায় যে হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও গুলি মোক্তারের কাছে রয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি পল্লবীর একটি গ্যারেজে অভিযান চালায়। ডিবির উপস্থিতি টের পেয়ে মোক্তার পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক করা হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করেন।

ডিবি জানায়, মোক্তারের তথ্য অনুযায়ী পল্লবীর একটি রিকশা গ্যারেজ থেকে পিস্তলের আটটি গুলি উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। রাত দেড়টার দিকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কিছু ওষুধ দিয়ে তাকে ফেরত পাঠান।

ডিবি জানায়, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে খাবারের জন্য ডাকাডাকিতে কোনো সাড়া না পাওয়ায় আবার তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মোক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় ডিএমপি তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন) মো. সরওয়ার।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর