বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামে হামলায় জড়িত ছাত্রদল নেতাদের বিচার চায় শিবির চট্টগ্রামের ঘটনায় বিক্ষোভের ডাক ছাত্রদলের হাত ট্রিগারেই আছে, প্রতিরক্ষা বাহিনীও সম্পূর্ণ প্রস্তুত: ইরান সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুমের বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর চলতি বছর মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ : আইএমএফ বিএনপি সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: প্রধানমন্ত্রী চুক্তি না হলে হামলার জন্য পুরোদমে প্রস্তুত মার্কিন বাহিনী: ট্রাম্প জামিন পেলেন দেড় মাসের সন্তানসহ কারাগারে যাওয়া সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী গ্রাফিতিতে ‘গুপ্ত’ লেখা নিয়ে চট্টগ্রামে সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ সরকারি সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত পুরোনো ভাড়াই বহাল

রিমান্ড শেষে কারাগারে সাংবাদিক আনিস আলমগীর

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৭১ টাইম ভিউ
রিমান্ড, কারাগার,সাংবাদিক,আনিস আলমগীর
রিমান্ড, কারাগার,সাংবাদিক,আনিস আলমগীর

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষ হওয়ার পর সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) এই নির্দেশ দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাত। আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই শামীম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এসআই শামীম হোসেন জানান, পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে আনিস আলমগীরকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক কাজী শাহনেওয়াজ তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, রিমান্ডে নেওয়ার সময় সাংবাদিকের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখা জরুরি।

এই সময় আনিস আলমগীরের পক্ষে আইনজীবী নাজনীন নাহার তার প্রথম শ্রেণির কয়েদির মর্যাদা প্রার্থনা করেন। আদালত শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন এবং কারা কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলেন। আনিস আলমগীরকে ধানমন্ডি থেকে ১৪ ডিসেম্বর রাত ৮টার দিকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। তিনি দৈনিক আজকের কাগজ সহ অন্যান্য সংবাদপত্রে কাজ করতেন।

পরদিন রাতে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স নামের সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদ। অভিযোগে তার সঙ্গে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনসহ আরো তিনজনকে অভিযুক্ত করা হয়। অপর দুজন হলেন মারিয়া কিসপট্টা ও ইমতু রাতিশ ইমতিয়াজ।

আভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের সময় অভিযুক্তরা রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ক্ষুণ্ণ করার ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন। তারা বিভিন্ন কৌশলে কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর