বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফুলবাড়ীতে উন্নত জাতের ধান চাষে প্রদর্শনী, বাসমতিসহ ১২ জাতের সম্ভাবনা ফুলবাড়ীতে দুইদিন ব্যাপী নারী নেতৃত্ব উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা গোয়ালন্দে প্রতিরোধ যুদ্ধ ও গনহত্যা দিবস পালিত, অর্থাভাবে থেমে আছে ভাস্কর্য নির্মান কাজ গোয়ালন্দে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় ১০ জন আটক, কাটার ও ক্যারিং বডি জব্দ চট্টগ্রামে হামলায় জড়িত ছাত্রদল নেতাদের বিচার চায় শিবির চট্টগ্রামের ঘটনায় বিক্ষোভের ডাক ছাত্রদলের হাত ট্রিগারেই আছে, প্রতিরক্ষা বাহিনীও সম্পূর্ণ প্রস্তুত: ইরান সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুমের বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর চলতি বছর মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ : আইএমএফ বিএনপি সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: প্রধানমন্ত্রী

রোজার আগে তেল, চিনি,খেজুরের শুল্ক কমানোর সুপারিশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ১২০ টাইম ভিউ

অনলাইন ডেস্ক : রোজা সামনে রেখে ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ভোজ্যতেল, চিনি ও খেজুরের আমদানি শুল্ক কমানোর সুপারিশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে পাঠানো হয়েছে। এর আগের দিন রোববার অর্থমন্ত্রণালয়ে দ্রব্যমূল্য নিয়ে পাঁচ মন্ত্রণালয়ের যৌথ বৈঠক হয়।বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আমদানি ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য অনুবিভাগের যুগ্মসচিব মো. আবদুছ সামাদ আল আজাদ মঙ্গলবার বলেন, রোজা সামনে রেখে ভোজ্যতেল, চিনি ও খেজুরের শুল্ক কমাতে আমরা এনবিআরকে চিঠি দিয়েছি। তবে কোন পণ্যে কতটা কমাতে হবে বা কমানো হবে সেটা এনবিআর জানিয়ে দেবে।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে এখন প্রতিকেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ন্যূনতম দেড়শ টাকায়, যা দুই বছর আগে ৬৫ টাকা থেকে ৭০ টাকায় কিনেছেন ভোক্তারা।

সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে লিটার প্রতি ১৭০ টাকায়; যা দুই বছর আগে ১০০ টাকারও কম দামে কেনা যেত।

ছোলার দামও গতবছরের তুলনায় কেজিতে অন্তত ১০ টাকা বেড়েছে। রোজার মাস না আসতেই এক কেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। আর রোজার মাসের খাদ্য তালিকার অন্যতম অনুসঙ্গ খেজুরের আমদানি শুল্ক বেড়ে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে আমদানি বন্ধ রয়েছে বলে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করছেন।

এমন পরিস্থিতিতে বেশ কয়েক মাস ধরে শুল্ক কমানোর দাবি জানিয়ে আসছেন বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ীরা।

সিটি গ্রুপের পরিচালক বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, “বর্তমানে ভোজ্যতেলে আমদানি পর্যায়ে ১৫ শতাংশ, উৎপাদন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ এবং বিপণন পর্যায়ে ৫ শতাংশ শুল্ক রয়েছে। আমরা উৎপাদন ও বিপণন পর্যায়ে শুল্ক অব্যাহতি চেয়েছিলাম। অপরিশোধিত চিনির ক্ষেত্রে রেগুলেটরি ডিউটি ৩০ শতাংশ রয়েছে। এটাতে অব্যাহতি চেয়েছিলাম। “

একমাস আগে এফবিসিসিআই আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ কোম্পানির উপদেষ্টা অমিতাভ চক্রবর্তী বলেছিলেন, “চিনিতে এখন কেজিতে ৪২ টাকার মতো শুল্ক দিতে হচ্ছে। এই জায়গাটা কমাতে হবে।“

ফল আমদানিকারক সমিতির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, “আগে খোলা খেজুরে কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা এবং বাক্সভর্তি খেজুরে কেজিতে ৩০ টাকা করে শুল্ক দিতে হত। নতুন নিয়মে খোলা খেজুরে কেজিপ্রতি ৭০ টাকা করে এবং প্যাকেটজাত খেজুরে কেজিতে ১৪৫ টাকা করে শুল্ক দিতে হবে। এত বেশি শুল্ক দিতে গিয়ে খেজুরের যে দাম হবে সেই দামে তা বিক্রি হবে কি না চিন্তায় আছি।“

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর