মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দৌলতদিয়া পদ্মায় ধরা রুই-কাতল লাখ টাকায় বিক্রি বকেয়া টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ জবি ছাত্রদল আহ্বায়কের বিরুদ্ধে বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গাইবান্ধায় প্রবেশপত্র না পেয়ে মহাসড়ক অবরোধ, সোয়া এক ঘণ্টা পর প্রত্যাহার জুলাই সনদ নিয়ে কিছু রাজনৈতিক দল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে: প্রধানমন্ত্রী সংঘাতে নতুন মোড়, মার্কিন সামরিক জাহাজে হামলা চালাল ইরান চূড়ান্ত ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী: সংসদে নারী আসনে জামায়াতের ৮, এনসিপিসহ বাকিদের ৫ হাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, জরুরি অবস্থা ঘোষণার প্রয়োজন হয়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার দ্রুত নতুন করে গড়ে তুলছে ইরান আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী

১২ কোটি টাকা ব্যয় নির্মাণ : উদ্বোধনের ৬ মাসেও চালু হয়নি ‘ট্রমা সেন্টার’

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৩০ মে, ২০২৩
  • ১৯৬ টাইম ভিউ

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার জন্য ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী ট্রমা সেন্টার উদ্বোধনের ৬ মাসেও চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রটি জনসাধারণের কোনো কাজেই আসছে। বরং মাদক সেবীদের নিরাপদ স্থান এখন ট্রমা সেন্টার। জনবল সংকটের দোহাই দিয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টা স্বাস্থ্য বিভাগের। সরেজমিনে স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের মাদারীপুরের শিবচরের সন্ন্যাসীর চর ইউনিয়নে দাঁড়িয়ে আছে সদ্য নির্মিত চকচকে নতুন তিনতলাবিশিষ্ট ভবনটি। ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী ট্রমা সেন্টারটি গত বছরের নভেম্বরে উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। কিন্তু সেখানে মূল ভবনে এখনো ঝুলছে তালা। পাশের একটি সার্ভিস ভবনের দুতলায় রুমের তালা খোলা অবস্থায় পরে আছে। ভেতরে ঢুকতেই চোখে পড়লো মেঝেতে পরে আছে মাদক সেবনের আলামত। অন্য একটি রুমে গিয়ে দেখা গেলো রাতে আড্ডা হয় এমন কিছু আলামতের। রাষ্ট্রের ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ট্রমা সেন্টারটি অলস পরে থাকায় এতে মহাসড়কে দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় নিয়ে যাওয়া হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ ফরিদপুর ও ঢাকা। অনেক সময় মাঝপথেই রোগীর মৃত্যু হয়। তাই জনস্বার্থে দ্রুত ট্রমা সেন্টারটি চালুর দাবি এলাকাবাসীর। গত ১৯ মার্চ এক্সপ্রেসওয়ের কুতুবপুরে যাত্রীবাহী ইমাদ পরিবহনের একটি বাস দুর্ঘটনায় ১৯ জনের প্রাণহানি হয়। আহত হয় অনেকেই। কিন্তু তারপরও টনক নড়ছে না কর্তৃপক্ষের। প্রতিনিয়তই এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনা কমবেশি ঘটলেও কাজে আসছে না রাষ্ট্রীয় অর্থে নির্মিত এই ট্রমা সেন্টার। স্থানীয় বাসিন্দা রকিবুজ্জামান বলেন, মানুষের স্বার্থে এই ট্রমা সেন্টার নির্মাণ করা হয়েছে, কিন্তু মানুষের কোনো উপকারেই আসছে না। সড়কে দুর্ঘটনা ঘটলে রোগীদের ঢাকা বা ফরিদপুরে নিতে নিতে অনেকেই প্রাণ হারায়। এটি দ্রুত চালুর দাবি জানাচ্ছি। চৌধুরী পরিবহণের যাত্রী ইমরুল কায়েস বলেন, এই মহাসড়ক দিয়ে রাজধানী ঢাকায় যাতায়াত করে দক্ষিণ বঙ্গের মানুষ। এই সড়কে দুর্ঘটনায় কেউ আহত হলে, তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়ার স্থান নেই।স্বাস্থ্য বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত এটি জনস্বার্থে দ্রুত চালু করা। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কোহিনুর হাওলাদার বলেন, আমাদের এক্সপ্রেসওয়েতে অনেক দুর্ঘটনা ঘটে। এই ট্রমা সেন্টারটি চালু হলে এই অঞ্চলে দুর্ঘটনায় আহতরা দ্রুত চিকিৎসা সেবা পাবে। আশা করি খুব দ্রুতই এটি চালু হবে। মাদারীপুরের সিভিল সার্জন ডা. মুনীর আহম্মেদ খান জানান, ওখানে জনবল ও লজিস্টিক সাপোর্ট না থাকায় পূর্ণভাবে চালু করত পারছি না। আংশিকভাবে স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় বহির্বিভাগ চালু করার চেষ্টা করছি। আর এটি যদি জনবল ও লজিস্টিক সাপোর্ট পাওয়া যায়, তাহলে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে। এটি চালুর জন্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট শাখায় চিঠি দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই চালু হবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর