শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জামায়াত আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা করছে কি না, প্রশ্ন আবদুস সালামের রুহুল কবির রিজভীর নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি থানায় জিডি নেপালে আরও ২ হ্রদে জমছে পানি, নতুন করে বন্যার ঝুঁকি মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে পারবে বাংলাদেশের আরও ৩১২ এজেন্সি রংপুরে ৪ খুনের ঘটনায় সব তথ্যই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে: আরপিএমপি কমিশনার চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে ৫ শিশুর মৃত্যু নেপালের বন্যায় আনুমানিক ৯৩ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত : রেড ক্রস নেপালের ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩৮ নভেম্বরে তুরস্ক সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী ‘বাবাকে নির্লজ্জভাবে মেরে ফেলার চেষ্টা চলছে’: ইমরান খানের ছেলেদের সাক্ষাৎকারে তোলপাড়

বাংলাদেশ ভারতকে চারটি শর্ত দেওয়ার চিন্তা করছে

সময়ের আওয়াজ ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ১০ টাইম ভিউ
ছবি সংগ্রহীত

বাংলাদেশ ভারতের বিদ্যুৎ সঞ্চালনের ‘করিডর’ হতে গিয়ে নিজেদের স্বার্থ বিসর্জন দিতে চায় না বাংলাদেশ। আসামের বরনগর থেকে বিহারের কাটিহার পর্যন্ত ৭৬৫ কেভি হাইভোল্টেজ লাইন বাংলাদেশের ওপর দিয়ে নিতে ভারতের নতুন তাগাদার পর চার শর্ত সামনে আনছে ঢাকা। ব্রহ্মপুত্রে বাঁধ দিয়ে উৎপাদিত বিদ্যুৎ এ লাইনে যাবে কিনা, নেপাল-ভুটান থেকে সস্তা জলবিদ্যুৎ আনার সুযোগ মিলবে কিনা এবং বাংলাদেশের প্রকৃত লাভ কত— এসবের উত্তর না মিললে করিডর দেওয়ার সিদ্ধান্তে যেতে চাইছে না সরকার।

ভারত সরকারের তাগাদার পরিপ্রেক্ষিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিদ্যুৎ বিভাগ এ ব্যাপারে বেশকিছু কাগজপত্র তৈরি করেছে।

সরকারি সূত্রগুলো বলছে, প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ ভারতকে চারটি শর্ত দেওয়ার চিন্তা করছে। এগুলো পালন করলে ওই হাইভোল্টেজ সঞ্চালন লাইন নির্মাণে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে পারে বাংলাদেশ। এর মধ্যে প্রধান শর্ত হলো— ভারতকে জানাতে হবে ব্রহ্মপুত্র নদে বাঁধ দিয়ে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ওই হাইভোল্টেজ লাইন দিয়ে প্রবাহিত করা হবে কিনা। কারণ, এতে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

দ্বিতীয় শর্ত হলো- নেপাল ও ভুটান থেকে সস্তায় জলবিদ্যুৎ আমদানির জন্য আলাদা গ্রিড লাইন তৈরির সুযোগ বাংলাদেশকে দিতে হবে। তৃতীয়টি হলো— ওই লাইন দিয়ে বাংলাদেশ কী পরিমাণ বিদ্যুৎ আমদানি করতে পারবে, তা স্পষ্ট করতে হবে। চতুর্থ শর্ত হলো— বাংলাদেশের ওপর দিয়ে লাইন টানার আগে অর্থনৈতিক লাভ-ক্ষতি হিসাব করতে হবে।

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ৬ আগস্ট বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই সময় তিনি ৭৬৫ কেভি গ্রিড লাইন নির্মাণের বিষয়টি উত্থাপন করেন। সাক্ষাৎ শেষে ইকবাল হাসান মাহমুদ যুগান্তরকে বলেন, ‘ভারত যেভাবে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে গ্রিড লাইন নিয়ে যেতে চাচ্ছে, সেভাবে আমরা চিন্তা করছি না। নেপাল, ভারত, ভুটান ও বাংলাদেশ-এই চার দেশ মিলে যৌথ গ্রিড লাইনের কথা ভাবছে ঢাকা। আর এটি নিয়েই আলোচনা করতে চাচ্ছি আমরা।’

জানা যায়, এর আগে জুলাইয়ের শেষে বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ দিল্লি সফর করে বিদ্যুৎ ইস্যু নিয়ে কথা বলেছেন সে দেশের শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে। সেখানেও বিষয়টি নিয়ে আলাপ-আলোচনা হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করেছে।

বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য এবং জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এম তামিম সম্প্রতি যুগান্তরকে বলেন, ‘বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা বিশেষ করে বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে ভারত-নেপাল-ভুটানের সঙ্গে একটি গ্রিড লাইন নির্মাণ জরুরি। এর মধ্যে বাংলাদেশ যার কাছ থেকে সস্তায় বিদ্যুৎ পাবে, তার থেকে আমদানি করতে পারে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর