বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাজেকে আটকা পড়েছেন ৬০০ পর্যটক, রিসোর্ট ভাড়া মওকুফের ঘোষণা নিউইয়র্কে একাধিক কূটনৈতিক বৈঠকে ব্যস্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে জুলাই শহীদের বাসায় ভাঙচুরের চেষ্টা, নারীসহ আটক ৬ চূড়ান্ত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের লাইনআপ, দেখে নিন পূর্ণাঙ্গ সূচি সমুদ্রকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ও উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি প্রাথমিক-মাধ্যমিক শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ও মর্যাদা পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৮, জীবিত উদ্ধার ১৪ টানা বৃষ্টিতে বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতির সতর্কতা ডেঙ্গুতে একদিনে ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৫১ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে গেছে: ট্রাম্প

সিনেমায় এন্ড্রু কিশোরের শেষ গান, মুক্তির কথা জানালেন পরিচালক

এস.এ.এম সুমন
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
  • ২৬ টাইম ভিউ

এস.এ.এম সুমন : বাংলা চলচ্চিত্রের প্লেব্যাক ইতিহাসে এন্ড্রু কিশোর এক অনন্য নাম। ‘প্লেব্যাক সম্রাট’ হিসেবে পরিচিত এই কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী ২০২০ সালের ৬ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন। তবে তাঁর মৃত্যুর পাঁচ বছর পরও অন্তত ৩০টি গান অপ্রকাশিত রয়ে গেছে, যা নিয়ে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে সংগীতাঙ্গনে।

জানা গেছে, মৃত্যুর আগে এন্ড্রু কিশোর অন্তত ২০টি চলচ্চিত্রের জন্য প্রায় ৩০টি গান রেকর্ড করেছিলেন। এর মধ্যে অন্যতম আলোচিত গানটি হলো পরিচালক ছটকু আহমেদের ‘দলিল’ সিনেমার ‘ভালোবাসা একবারই হয়, বারো মাস ভালোবাসা হয় না’। গীতিকার মনিরুজ্জামানের কথায় গানটির সুর করেন বরেণ্য সংগীত পরিচালক আলাউদ্দিন আলী। এন্ড্রু কিশোরের সঙ্গে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন। পরিচালক ছটকু আহমেদ জানান, এটি এন্ড্রু কিশোরের অন্যতম আবেগঘন রেকর্ডিং। নানা কারণে সিনেমাটির কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি, তবে ভবিষ্যতে কাজ সম্পন্ন করে গানটি শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

অপ্রকাশিত গানের তালিকায় রয়েছে ‘দত্তক’ ও ‘এক কোটি টাকা’সহ আরও কয়েকটি চলচ্চিত্রের ডুয়েট ও একক গান। কণ্ঠশিল্পী মোমিন বিশ্বাস জানান, ‘দত্তক’ সিনেমায় তিনি এন্ড্রু কিশোরের সঙ্গে ‘এইতো জীবন কিছু হাসি কিছু কান্না’ শিরোনামের একটি ডুয়েট গান গেয়েছেন, যার সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন আলাউদ্দিন আলী।এন্ড্রু কিশোরের সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ছিল ‘সংঘাত’। এতে তিনি দুটি গান গেয়েছিলেন। ন্যান্সির সঙ্গে গাওয়া ‘আরও আগে কেন দেখা হলো না’ এবং বেলার সঙ্গে গাওয়া ‘সুখেরই ঠিকানা’ গান দুটি শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

রাজশাহীতে জন্ম নেওয়া এন্ড্রু কিশোর ১৯৭৭ সালে ‘মেইল ট্রেন’ চলচ্চিত্রে ‘অচিনপুরের রাজকুমারী নেই’ গানের মাধ্যমে প্লেব্যাক জগতে যাত্রা শুরু করেন। চার দশকেরও বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে তিনি ১৫ হাজারের বেশি গান গেয়েছেন বলে ধারণা করা হয়। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন আটবার। ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস’, ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে’, ‘ভালো আছি ভালো থেকো’ ও ‘জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প’সহ অসংখ্য কালজয়ী গান আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে অমলিন। সংগীতসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, অপ্রকাশিত গানগুলো মুক্তি পেলে নতুন প্রজন্মের কাছেও এন্ড্রু কিশোরের শিল্পীসত্তা নতুনভাবে ধরা দেবে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শিল্পীর স্মৃতি সংরক্ষণে কিছু উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। তবে তাঁর অপ্রকাশিত গানগুলো প্রকাশের জন্য ভক্তদের দীর্ঘ প্রতীক্ষা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর