শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অবৈধ অভিবাসী প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় ঢাকার দ্রুত সহযোগিতা চায় ভারত আট জেলায় ৮০ কিমি বেগে কালবৈশাখীর পূর্বাভাস; নদীবন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ৪ কিংবা ৫-এ থাকতে চায় বাংলাদেশ বিপিএল ফিক্সিং কাণ্ডে শাস্তি পেলেন ক্রিকেটারসহ ৫ জন সরকার শিক্ষকতার মানোন্নয়নে কাজ করতে বদ্ধপরিকর: শিক্ষামন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পর বাংলাদেশের দায়িত্ব বেড়ে গেছে : নাহিদ ইসলাম অবশেষে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা, শেষ মমতার দীর্ঘ শাসন ঈদ ঘিরে অপরাধ প্রতিরোধে সজাগ থাকতে হবে: ডিএমপি কমিশনার ভারত সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী, তাদের কথা কেউ বিশ্বাস করে না: পাকিস্তান সেনাবাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি আধিপত্য ডুবছে হরমুজেই!

বিপিএল ফিক্সিং কাণ্ডে শাস্তি পেলেন ক্রিকেটারসহ ৫ জন

ক্রীড়া ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬
  • ১৬ টাইম ভিউ
বিপিএল ফিক্সিং কাণ্ডে শাস্তি পেলেন ক্রিকেটারসহ ৫ জন

২০২৫ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) যেন শুধু খেলার উন্মাদনা নয়, বরং দুর্নীতি ও ফিক্সিংয়ের কালো ছায়ায় ঢেকে গিয়েছিল। এবার সেই অন্ধকারের অনেকটাই সরিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দীর্ঘ তদন্তের পর প্রমাণ মিলেছে যে, ম্যাচ ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন একজন ক্রিকেটারসহ ৪ জন। বৃহস্পতিবার (৭ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির অ্যাড-হক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তামিম ইকবাল বলেন, ‘পাঁচজন ক্রিকেটারকে এ অপরাধের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। তারা বড় ধরনের শাস্তি পেতে যাচ্ছেন।’

২০২৫ বিপিএল চলাকালীনই ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠে। তৎকালীন সভাপতি ফারুক আহমেদের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটি দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর প্রায় ৯০০ পৃষ্ঠার একটি বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেয়। এরপর বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শালের তত্ত্বাবধানে যাচাই-বাছাই করে অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ক্রিকেটার হিসেবে শাস্তি পেয়েছেন ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার। এ ছাড়া টিম ম্যানেজার লাবলুর রহমানও রয়েছেন।

বিপিএল ফিক্সিং ও দুর্নীতি কাণ্ডে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা-

অমিত মজুমদার (ক্রিকেটার): ম্যাচে বেটিং বা জুয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ।

রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী (টিম ম্যানেজার): ম্যাচের বিভিন্ন পর্যায়ে বাজি ধরা বা বেটিংয়ে যুক্ত।

মো. লাবলুর রহমান (টিম ম্যানেজার): তদন্তে অসহযোগিতা এবং তথ্য-প্রমাণ মুছে ফেলা।

মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ (ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক): তদন্তে অসহযোগিতা এবং ডিমান্ড নোটিশ পালনে ব্যর্থতা।

সামিনুর রহমান (ব্যক্তিগত পক্ষ): খেলোয়াড়দের দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়া এবং জুয়াড়ি চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ। (ইতোমধ্যে বিসিবি থেকে বহিষ্কৃত)।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর