বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০১:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফুটবলার ঋতুপর্ণার বাড়ি নির্মাণে অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী রাজক্ষমার পর সম্পূর্ণ মুক্তি পেলেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন দেশে বৈধ মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ: সংসদে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বিশ্বশান্তি ও মানবিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম একটি অনন্য উদ্যোগ : প্রধানমন্ত্রী ইসলামী ব্যাংক, মির্জা ফখরুল ও জামায়াত-কেউ ইসলাম নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসলামী ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে : জামায়াত আমির অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় সীমিত সম্পদে সবার সুখ-দুঃখ বিবেচনায় নিয়ে বাজেট প্রণয়ন-অর্থমন্ত্রী একনেকে দুই হাজার ২৬৬ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন ৪৭ কোটি টাকায় সম্প্রচারস্বত্ব কিনেছে সরকার, বিশ্বকাপ দেখাবে বড় পর্দায়

আর কোনো রাজনৈতিক দলে সম্পৃক্ত হবো না: লতিফ সিদ্দিকী

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১১ আগস্ট, ২০২৪
  • ৭১ টাইম ভিউ

বর্ষীয়ান রাজনীতিক আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেছেন, আমি জীবনে আর কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবো না।

শনিবার (১০ আগস্ট) তার ছোট ভাই কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তমের সঙ্গে টাঙ্গাইল শহরের সন্তোষে মাওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারতকালে সন্ধ্যায় তিনি এই ঘোষণা দেন।

লতিফ সিদ্দিকী বলেন, আমি আজ মাওলানা ভাসানীর মাজারে এসেছি। লক্ষ্য হলো, ’৭১ এর স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং ’৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে যে যুদ্ধ এখানে শুরু হয়েছিল এবং আজও এই বাংলার গণমানুষের, নিপীড়িত মানুষের, অধিকারবঞ্চিত মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে যিনি পরিচিত, সেই বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, তাকে আমি সমর্থন করি। তার সঙ্গে আমৃত্যু আমি থাকব।

তিনি বলেন, কিন্তু কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমি আর জীবনে সম্পৃক্ত হব না। মাওলানা ভাসানীর এই মাজারে দাঁড়িয়ে আমি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীকে টাঙ্গাইলবাসীর ও বাংলার মানুষের সমর্থনে যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। পরে তিনি জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু বলে বক্তৃতা শেষ করে মাওলানা ভাসানী আমাদের চিত্তকে শুদ্ধ করুন।

আবদুল লতিফ সিদ্দিকী টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে ৫ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ওই বছর সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে একটি সভায় হজ্ব ও তাবলীগ জামাত নিয়ে কটূক্তি করেন। পরে তাকে দল থেকে বহিষ্কার, মন্ত্রীসভা থেকে অপসারণ করা হয়। সংসদ থেকে তিনি পদত্যাগ করেন। সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি টাঙ্গাইল-৪ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর