বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফুটবলার ঋতুপর্ণার বাড়ি নির্মাণে অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী রাজক্ষমার পর সম্পূর্ণ মুক্তি পেলেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন দেশে বৈধ মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ: সংসদে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বিশ্বশান্তি ও মানবিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম একটি অনন্য উদ্যোগ : প্রধানমন্ত্রী ইসলামী ব্যাংক, মির্জা ফখরুল ও জামায়াত-কেউ ইসলাম নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসলামী ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে : জামায়াত আমির অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় সীমিত সম্পদে সবার সুখ-দুঃখ বিবেচনায় নিয়ে বাজেট প্রণয়ন-অর্থমন্ত্রী একনেকে দুই হাজার ২৬৬ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন ৪৭ কোটি টাকায় সম্প্রচারস্বত্ব কিনেছে সরকার, বিশ্বকাপ দেখাবে বড় পর্দায়

অকটেন ভাগাভাগি থেকে অগ্নিকাণ্ড! বিড়ির আগুনে কুমিল্লার প্লাস্টিক ফ্যাক্টরি পুড়ে ছাই, দগ্ধ ৩

মুহাম্মদ রকিবুল হাসান:
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯৭ টাইম ভিউ
অকটেন ভাগাভাগি থেকে অগ্নিকাণ্ড! বিড়ির আগুনে কুমিল্লার প্লাস্টিক ফ্যাক্টরি পুড়ে ছাই, দগ্ধ ৩

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে তুচ্ছ বিরোধ মুহূর্তেই রূপ নিল ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে। অকটেন ভাগাভাগি নিয়ে টানাহেঁচড়ার এক পর্যায়ে বিড়ির আগুন থেকে ছড়িয়ে পড়ে আগুন, আর তাতেই পুড়ে ছাই হয়ে যায় দুটি প্লাস্টিক ফ্যাক্টরি। আগুনে মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছেন তিন যুবক, আর চোখের সামনে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। ঘটনাটি শনিবার বিকালে বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া পার্শ্ববর্তী শাহদৌলতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অকটেন ভাগাভাগি নিয়ে কয়েকজনের মধ্যে ধস্তাধস্তির সময় একটি জ্বলন্ত বিড়ির আগুন পাশের প্লাস্টিক কারখানায় লাগে। মুহূর্তেই দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে আগুন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে দুটি কারখানার প্রায় ১৫ থেকে ১৭ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

এ ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন স্থানীয় তিনজন— স্থানীয় ওহেদ ভুঁইয়ার ছেলে মো. সোলাইমান (৩২), নজরুল ইসলাম নজা’র ছেলে তানভীর হোসেন (১৯) এবং শরীফ মিয়ার  মো. শুভ। তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হয়েছে উন্নত চিকিৎসার জন্য। কারখানার মালিক বিল্লাল হোসেন ও নজরুল ইসলাম জানান, “আমরা তখন ফ্যাক্টরিতে ঘুমাচ্ছিলাম। হঠাৎ ‘আগুন, আগুন’ চিৎকার শুনে দৌড়ে বের হয়ে কোনোমতে প্রাণে বাঁচি। আমাদের সব শেষ হয়ে গেছে… আমরা এখন পথে বসার উপক্রম।”

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর