শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চলমান তাপপ্রবাহে বাড়ছে হিট স্ট্রোকের শঙ্কা শিশু রামিসাকে হত্যা : মামলার ১৯ দিনের মাথায় রায় হচ্ছে ৭ জুন মুখ খোলো মমতা জানতে চায় জনতা’ স্লোগানে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পেটানোর অভিযোগ, ওসিসহ পাঁচ পুলিশ প্রত্যাহার নিম্ন আয়ের মানুষের বিদ্যুতের খরচ বাড়ছে না সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হবে ১০১ শয্যার আইভীর মুক্তির পর বাড়ির সামনে বাড়তি নিরাপত্তা ও পুলিশি নজরদারি ইসরায়েলকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরানো সম্ভব : আইআরজিসি কমান্ডার চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিন উপজেলায় বজ্রপাতে নারীসহ ৬ জনের মৃত্যু ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে মমতার বিরুদ্ধে মামলা

এআইয়ের যুগে টিকে থাকতে যে পরামর্শ দিলেন জিওফ্রে হিন্টন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২০ জুন, ২০২৫
  • ১৭৭ টাইম ভিউ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভবিষ্যতে মানুষের অনেক চাকরি কেড়ে নেবে বলে সতর্ক করেছেন এ প্রযুক্তির অন্যতম পথিকৃৎ জিওফ্রে হিন্টন। তাঁর মতে, হাতে-কলমে কাজের পেশা আপাতত নিরাপদ থাকলেও আইনি সহকারী, নথি পর্যালোচনা বা তথ্যসংক্ষেপের মতো অফিসভিত্তিক অনেক চাকরির প্রয়োজনীয়তা কমে যাবে, কারণ এসব কাজ এআই ইতোমধ্যেই করে ফেলতে পারছে।

যুক্তরাজ্যের উদ্যোক্তা স্টিভেন বার্টলেটের সঞ্চালনায় প্রচারিত দ্য ডায়েরি অফ আ সিইও পডকাস্টে হিন্টন বলেন, ‘‘এআই চিন্তা করতে পারলেও শারীরিক কাজে এখনো মানুষের ধারে-কাছে আসতে পারেনি। সে হিসেবে একজন ভালো প্লাম্বার হওয়া ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ ও বুদ্ধিমান সিদ্ধান্ত।’’তিনি জানান, প্লাম্বিংয়ের মতো পেশায় বাস্তব পরিস্থিতি অনুযায়ী খাপ খাওয়ানো, হঠাৎ সমস্যা সামাল দেওয়া কিংবা নির্দেশনাবিহীন সমাধান তৈরি করতে হয়—যা এখনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাগালের বাইরে।

৭৭ বছর বয়সী হিন্টন আরও বলেন, তাঁর সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো নিজের সন্তান ও নাতি-নাতনিদের ভবিষ্যৎ। তিনি জানান, যদি একসময় এআই মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করে, তাহলে সেটি বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে।

হিন্টনের ভাষায়, ‘‘এআই যদি মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করে, তাহলে তা মানুষের বিকল্প তৈরি করে ফেলবে। তখন মানুষকে বাদ দেওয়ার নানা উপায় বেরিয়ে আসবে, যেগুলোর বেশির ভাগই হতে পারে ভয়াবহ।’’

তিনি মনে করেন, কেবল চাকরি হারানো নয়, বরং প্রযুক্তি ব্যবহারে আয় ও সুযোগের বৈষম্যই এখন সবচেয়ে বড় আশঙ্কা। প্রযুক্তির মালিকরা বেশি লাভবান হচ্ছেন, আর মাঝারি ও সহকারী পর্যায়ের কর্মীরা ঝুঁকিতে পড়ছেন। হিন্টনের মতে, নতুন কিছু পেশা সৃষ্টি হলেও পরিবর্তনের গতি এত দ্রুত যে অনেকেই তাল মেলাতে পারছেন না। এতে করে কর্মসংস্থানে অনিশ্চয়তা ও বৈষম্য আরও বাড়বে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর