মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু মার্কিন অবরোধ ভেঙে বন্দরে ভিড়ল ইরানি তেলবাহী জাহাজ এক লাখ ৬৯ হাজার টন জ্বালানি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ৫ জাহাজ তিন মাসে একবার সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিংহে আলোচিত কলেজছাত্র ইকবাল হত্যায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড নারায়ণগঞ্জে ঘাট ইজারা নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি সমর্থকদের সংঘর্ষ এস আলমের সঙ্গে বিএনপির সমঝোতা হয়েছে কি না, প্রশ্ন হাসনাত আবদুল্লাহর দৌলতদিয়া পদ্মায় ধরা রুই-কাতল লাখ টাকায় বিক্রি বকেয়া টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ জবি ছাত্রদল আহ্বায়কের বিরুদ্ধে বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

এস আলমের সঙ্গে বিএনপির সমঝোতা হয়েছে কি না, প্রশ্ন হাসনাত আবদুল্লাহর

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩ টাইম ভিউ
এস আলমের সঙ্গে বিএনপির সমঝোতা হয়েছে কি না, প্রশ্ন হাসনাত আবদুল্লাহর

‘ঋণখেলাপি হিসেবে আলোচিত এস আলম গ্রুপ ও বেক্সিমকো গ্রুপকে ঘিরে বিএনপি সরকারের সাথে কোনো রাজনৈতিক সমঝোতা হয়েছে কি না’ এ বিষয়ে জাতীয় সংসদে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কাছে এ প্রশ্ন উত্থাপন করেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহ দাবি করেন, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশেল মোট ঋণের পরিমাণ ৯২ হাজার ১১৫ কোটি টাকা, যার মধ্যে এস আলম গ্রুপের একক ঋণখেলাপির পরিমাণ প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে জনতা ব্যাংক থেকে বেক্সিমকো গ্রুপের ঋণখেলাপির পরিমাণ প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা।

তিনি প্রশ্ন রাখেন, চলতি অর্থবছরে এসব বিপুল অঙ্কের ঋণ পুনরুদ্ধারে সরকারের কী পরিকল্পনা রয়েছে এবং ঋণ পরিশোধ ছাড়াই এসব প্রতিষ্ঠানের পুনর্বহালের কোনো চেষ্টা চলছে কি না।

জবাবে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থানে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের সমঝোতার সুযোগ নেই। তিনি দাবি করেন, বিএনপি সরকারের সময় আর্থিক শৃঙ্খলা, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা কিংবা শেয়ারবাজার নিয়ে বড় কোনো প্রশ্ন ওঠেনি।

তিনি আরও জানান, ব্যাংক ঋণ নিয়ে বিদেশে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে এবং সেগুলো অনুসরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি ঋণ পুনরুদ্ধারে সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) উদ্যোগ ও পেশাদার প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সরকারের আশা, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে ভবিষ্যতে বকেয়া অর্থ আদায় সম্ভব হবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর