বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রমজীবী মানুষই দেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার প্রধান অবলম্বন: প্রধানমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ জন, গেজেট প্রকাশ ৩৭ হাজার কোটির ১৪টি এয়ারক্রাফট কেনার ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করল বিমান গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে ৩ ধাপ পেছাল বাংলাদেশ ৪৮ ঘণ্টায় দেশের ৮ বিভাগে কালবৈশাখীর সতর্কতা জলাবদ্ধতা নয়, চট্টগ্রামে পাঁচ স্থানে ‘অস্থায়ী জলজট’ হয়েছিল: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী আমিও একজন ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’: সংসদে জামায়াতের নায়েবে আমির এবার জিমেইলে যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন এআই সুবিধা কামরুল ও রাশেদ খান মেননের বিচার শুরুর আদেশ কেরানীগঞ্জে অটোরিকশা চালক হত্যা মামলায় ৫ ডাকাতের মৃত্যুদণ্ড

পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে ‘জাতীয় সম্পদ’ ঘোষণা ইরানের সর্বোচ্চ নেতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪ টাইম ভিউ
পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে 'জাতীয় সম্পদ' ঘোষণা ইরানের সর্বোচ্চ নেতার

পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে ‘জাতীয় সম্পদ’ ঘোষণা করলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। তিনি বলেছেন, “ইরান তার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে ‘জাতীয় সম্পদ’ হিসেবে রক্ষা করবে এবং এ বিষয়ে কোনও আপস করবে না।”

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই ঘোষণা দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক লিখিত বক্তব্যে খামেনি এসব কথা বলেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যৌথভাবে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই হামলায় মোজতবা খামেনিার বাবা তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। এরপর মোজতবা খামেনি সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি এভাবেই বিবৃতি দিয়ে আসছেন।

এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ‘লজ্জাজনক পরাজয়’ হয়েছে উল্লেখ করে মোজতবা খামেনি বলেন, “দেশের ভেতরে ও বাইরে থাকা ৯ কোটি গর্বিত ইরানি নাগরিক আমাদের পরিচয়, আধ্যাত্মিকতা, মানবসম্পদ, বৈজ্ঞানিক, শিল্প ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে- ন্যানোপ্রযুক্তি থেকে শুরু করে পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পর্যন্ত- জাতীয় সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে। এবং তারা এগুলোকে দেশের পানি, ভূমি ও আকাশসীমার মতোই রক্ষা করবে।”

পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও স্থান নেই একই বক্তব্যে খামেনি যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতি নিয়ে কড়া ভাষায় মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও স্থান নেই। তাদের ‘একমাত্র স্থান হলো পানির তলদেশে’।

তার ভাষায়, “আল্লাহর সাহায্যে এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ হবে উজ্জ্বল একটি ভবিষ্যৎ, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও স্থান থাকবে না; বরং এটি হবে এ অঞ্চলের জনগণের উন্নয়ন, স্বাচ্ছন্দ্য ও সমৃদ্ধির জন্য।”

মোজতবা খামেনি বলেন, পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরসংলগ্ন দেশগুলোর মধ্যে একটি ‘অভিন্ন ভাগ্য’ বা সামষ্টিক ভবিষ্যত রয়েছে।

“হাজার হাজার কিলোমিটার দূর থেকে আসা বিদেশিরা এখানে লোভ ও বিদ্বেষ নিয়ে আসে- এখানে তাদের কোনও স্থান নেই,” যোগ করেন তিনি।

সূত্র: গালফ নিউজ

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর