শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রতিমন্ত্রীর ‘ছেলেদের নামে’ দুই ইউনিয়নের নামকরণ, বদলানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, তিন মাসে প্রাণহানি ৫৬০ ব্রাজিলের বিপক্ষে আমাদের হারানোর কিছু নেই: হাইতি কোচ ‘আমি রোনালদোর ভক্ত, মেসিকে রুখতে সবকিছু করব :অস্ট্রিয়ার গোলরক্ষক ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের ফেসবুক আইডি হ্যাক সাংবাদিক গ্রেপ্তার ইস্যুতে দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর আশা জাগিয়েও হারল বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ জয় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে রাজধানীতে কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই: ডিএমপি আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সংঘাতের শঙ্কা, সারাদেশে সতর্ক পুলিশ চীনে বিশ্বের বৃহত্তম বাঁধ নির্মাণ শুরু, মহাবিপদে ভারত

রাসিক সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে চাপমুক্ত লিটন

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ মে, ২০২৩
  • ২১১ টাইম ভিউ

অনলাইন ডেস্ক : রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) নির্বাচনে এখন পর্যন্ত দলীয় ভাবে তিনটি দল থেকে তিন জনকে মেয়র পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মনোনয়ন দিয়েছেন। তাদের মধ্যে একমাত্র হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে নানাভাবে নির্বাচনি মাঠ দখল করে আছেন বর্তমান মেয়র এবং আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। সাধারণ ভোটাররা মনে করছেন এবারই প্রথম চাপমুক্ত থেকে এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন লিটন।

এর আগে তিনটি নির্বাচনে তিনি অংশ নিলেও চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পড়তে হয়েছে তাঁকে। এমনকি ২০০৮ সালের নির্বাচনেও তখনকার রাজশাহীর যুবদলের আহ্বায়ক মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের কাছে জিততেই কঠিন হয় লিটনের। সেই লিটনই এবার অনেকটা নির্ভয় থেকে মেয়র পদে এগিয়ে যাচ্ছেন।

এর কারণ হিসেবে রাজশাহীবাসী দেখছেন গত পাঁচ বছরের উন্নয়নে বদলে যাওয়া রাজশাহীকে এবং এর আগে পাঁচ বছরে বিএনপির মেয়র প্রার্থী বুলবুল জয়ী হয়ে উন্নয়ন না হওয়া এই দুটি বিষয়কে।

রাজশাহীর রেলগেট এলাকার ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন বলেন, বিএনপির প্রার্থীকে ভোট দিয়ে কি হবে? এর আগের পাঁচ বছরে দেখেছি কোনো উন্নয়ন হয়নি রাজশাহী শহরে। এমনকি নগর ভবনের কর্মচারীদের ঠিকমতো বেতন দিতে পারেনি। বেতনের দাবিতে মাঝে মধ্যেই সিটি কর্পোরেশন কর্মচারীরা আন্দোলন করতেন। তবে গত নির্বাচনের পরে আমি আর কখনোই এই দৃশ্য দেখিনি।

আমার দোকানটি নগর ভবনের গেটের সামনেই। এখানে বসে নগর ভবনের অনেক খবর আমি পেয়ে থাকি। সেই দিক থেকেই বলছি এবার নগর ভবনের বিএনপিপন্থি কর্মচারীরাও মেয়র লিটনের পক্ষে মাঠে নামবেন। এই কারণে তিনি এবার অনেক এগিয়ে।

রাজশাহীর উপশহর এলাকার বাসিন্দা মাজদার হোসেন বলেন, গত পাঁচ বছরে রাজশাহীতে কয়েক হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন হয়েছে। আমরা এতো উন্নয়ন কখনো দেখিনি। দল যায় করি না কেন আর ভোট যাকেই দিই এটি অস্বীকার করার সুযোগ নাই। এতো উন্নয়ন যখন অন্য কারো আমলে হয়নি কাজেই আগামীতেও মেয়র লিটনই ক্ষমতায় আসছে এবার এটা প্রায় নিশ্চিত। এই কারণে মেয়র পদের নির্বাচন নিয়ে তেমন কোনো বাড়তি চাপ আছে বলে মনে হয় না।

সচেতন নাগরিক কমিটির রাজশাহী জেলা সভাপতি আহমেদ শফি উদ্দিন বলেন, একটা মানুষ কাজ করতে গেলে নানা ভুল হয়। তবে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে এই রাজশাহীর উন্নয়নের কথা ভাবতে হবে। সে দিক বিবেচনা করে আমি বলবো এবার মেয়র লিটন সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রার্থী রাজশাহীবাসীর কাছে।

এ দিকে চাপমুক্ত থেকেও মেয়রপ্রার্থী লিটন প্রতিদিনই নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ভোটের প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। গতকাল রবিবারও তিনি সকালে দলিল লেখক এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের সাথে ঘরোয়া মতবিনিময় করেন। এভাবে প্রতিদিনই কোনো না কোনো কর্মসূচির মধ্যে ঘরোয়াভাবে ভোটের প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। সে দিক থেকেও পিছিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঘোষণা দেওয়া অপর দুই প্রার্থী।

প্রসঙ্গত, এখন পর্যন্ত রাসিক নির্বাচনে মেয়র পদে তিনটি দল তিন জনকে মনোনয়ন দিয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান মেয়র এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির রাজশাহীর আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম স্বপন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন মুরশিদ আলম ফারুকী। তাদের মধ্যে সংবাদ সম্মেলন করে শুধুমাত্র নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন সাইফুল ইসলাম স্বপন। এর বাইরে আর কোনো কর্মসূচিতে দেখা যায়নি তাকে। আর অপর প্রার্থী মুরশিদ আলম ফারুকীকে তো মাঠেই দেখা যায়নি বলে জানা যায়।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর